শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, নানা প্রশ্ন!

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৪

ফেনীর সোনাগাজী বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১২০ জন। এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৪। এর মধ্যে স্কুল খোলার প্রথম দিনে ৯০ এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাড়াও কিছুসংখ্যক অন্যান্য শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হয়। প্রতিটি শ্রেণিতে গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছে। বাকীদের খবর নেই! এমন পরিস্থিতি দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর স্কুলে স্কুলে অনেক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও তাদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেই। এসব শিক্ষার্থী ঝরে যেতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্যোগ নেই বলে জানান অভিভাবকরা। এক অভিভাবকের দাবি, করোনাকালে বন্ধ থাকা বকেয়া বেতন মওকুফ করলে অনেক শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার উত্তর চর সাহাভিকারী এলাকার রবিউল ইসলাম ছিল কাজীর হাট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। এবার তার অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার কথা, কিন্তু করোনার দীর্ঘ ছুটিতে বাবার চাকরি চলে যাওয়ায় তার পরিচয়ই বদলে গেছে।

রবিউল এখন ভাড়ায় চালিত অটোরিকশাচালক। প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে রিকশা চালিয়ে পুরো দিনের আয় সে সন্ধ্যায় তুলে দেয় মায়ের হাতে। তার ওপর তৈরি হয়েছে পরিবারের নির্ভরশীলতা। তাই বিদ্যালয়ে ফেরা নিয়ে পরিবার থেকেও কোনো রকম তাগিদ নেই।

ফেনীর সোনাগাজী বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তার বিদ্যালয়ের প্রতি শ্রেণিতে প্রায় ২০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বাল্যবিবাহ ও পরিবারের অসচ্ছলতাকে দায়ী করেন। অনেকের পরিবার করোনায় বেকায়দা পড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে। এরপরও তাদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..