শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

ওলি আল্লাহগণের প্রশাসন ক্বিয়ামত পর্যন্ত থাকবে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

অধ্যক্ষ নুরুন্নবী রহমানী, পাটোয়ার ফাযিল মাদ্রাসা
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা

এই ধরা পৃষ্ঠে মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন নবী-রাসূল (সাঃ) গণের মাধ্যমে ওহীর বাণী প্রচার-প্রসার করেছেন। আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) হতে হযরত রাসূলে পাক (সাঃ) পর্যন্ত এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূল এই ভবসংসারে প্রেরণ করেছেন। তাঁরা নবুয়্যাত-রিসালাতের দায়িত্ব পালন করে দ্বীন-শরীয়তের যথাযথ প্রচার করেন। তাঁদের মধ্যে আমাদের প্রাণ প্রিয় রাসূল হুযুরে আকরাম (সাঃ) হলেন খাতামুন্নবীয়্যিন বা নবী গণের সমাপ্তকারী। তাঁর পরে আর কোন নবী-রাসূলের আগমনী ঘটবেনা-এটাই আমাদের আক্বিদা-বিশ্বাস। এর বিপরীত ধারনা করলে ঈমান থাকবে না। নবী-রাসূলের পরে এই বিশ্ব ভূবনে চিরকাল বেলায়েতের ধারা অব্যাহত থাকবে। অর্থ্যাৎ যাহেরী প্রশাসনের সাথে গোপনীয় প্রশাসন তথা ওলি আল্লাহগণের প্রশাসন ক্বিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হচ্ছে “সাবধান! আল্লাহর ওলিদের কোন ভয় ও চিন্তা নেই। (সূরা ইউনুছ)

হাদীস শরীফে এসেছে আল্লাহর ওলিগণ মরেন না। এই ধারাক্রমে হিজরী ৪৭১ পহেলা রমজান বিশ্ব জাহানে ইসলামের ক্রমাবনতি ঘটলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় এই পৃথিবীতে অবির্ভুত হন বেলায়েতের মহামান্য সম্রাট হিসেবে সৈয়দ মুহিউদ্দিন হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী-গিলানী (রহঃ)। তাঁর আব্বা হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) ও মাতা মুহতারিমা উম্মুল খায়ের ফাতিমা (রহঃ) । মা-বাবা দুজনই ছিলেন মস্ত বড় বিদ্বান ও কামেল ওলী। বিশ্ব শ্রুতি আছে যে, হযরত বড় পীর ছাহেবের আব্বা হুযুর হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) ছিলেন শরীয়ত-মা’রেফাতের এক উচু ধরের কামেল দরবেশ এবং তাক্বওয়া পরহেজগারীতে ভূবন খ্যাত বুযুর্গ।

নদীর পানির ¯স্রোতে ভাসমান একটি আপেল খেয়ে ছিলেন কঠিন ক্ষুধাতুর অবস্থায় পরের হক্ব সম্পর্কে তাঁর বোধদয় হলে ওই ফলের মালিকের সন্ধানে বের হন তিনি। ফল বাগানের মালিকের স্বাক্ষাৎ লাভ করে তাঁর বাগানচ্যুৎ আপেলের দায় মুক্তির নিমিত্ত্বে হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) বাগান মালিকের নিকট সকরুণ ক্ষমা প্রার্থনা করে ওই ফলের দায় মুক্তির জন্য বিনীত আবেদন করেন। বাগান মালিক হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) এর সুরত হাল পর্যবেক্ষন করে সম্যক রূপে উপলব্ধি করেন যে, “এই লোকটি সাধারণ কোন লোক নন; তিনি হবেন অসাধারণ এক কামেল পুরুষ” তাই কৌশল করে তাঁকে তাঁর বাড়িতে বেশ কয় বছর কাজ করার শর্তে দায়
মুক্তির কথা ঘোষনা দেন। কিচ্ছা লম্বা । শেষতক এই মহাপুরুষের কাছে তাঁর একমাত্র কন্যাকে বিয়ে দেন। যদিও এই বিয়ে পূর্বে পিতা স্বীয় কন্যার বাহ্যিক কিছু দোষ তথা আমার মেয়ে অন্ধ-বোবা-ল্যাংড়া-বধির নানা দোষের কথা বলেছিলেন তবে প্রকৃত পক্ষে তাঁর কন্যা ছিলো উপরোক্ত দোষমুক্ত। অধিকন্তু অনন্যা ধার্মিকা এবং বহু গুণের অধিকারিনী।

বিয়ে উত্তর বাসর ঘরে ওই মহিলার অসাধারণ গুন দেখের স্বামী হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ)। যাক-ওই মহিয়ষী নারীর পেট থেকে ওলি গণের মহামান্য সম্রাট সৈয়দ মুহিউদ্দিন হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী-গিলানী (রহঃ)। যিনি ক্বিয়ামত পর্যন্ত ওলি কুলের মহাত্মন সর্দার হিসেবে বেলায়েতের পতাকা সারা জাহানে উড্ডীন করবেন। তাঁর শান-মান অনন্য। তিনি মহান আল্লাহ পাকের দরবারে অসীম মর্যাদার অধিকারী। বলতে কি- আমাদের নবীজি (সাঃ) হলেন সকল নবী-রাসূল গণের মহামান্য সর্দার। আর সৈয়দ মুহিউদ্দিন হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী-গিলানী (রহঃ) হলেন সকল আউলিয়া গণের মান্যবর সর্দার। তাঁর শান-মান অতুলনীয়। কোথাও নেই তাঁর তুলনা। তিনি নিজেই তাঁর তুলনা।

হযরত বড় পীর ছাহের (রহঃ) ৪৭১ হিজরীর শা’বান মাসের ২৯ তারিখ দিবাগত রাতে মায়ের শেকম মোবারক (পেট) থেকে এই ধরায় শুভ পদার্পন করেন। সুবহে সাদেক থেকে তিনি
রোযা পালন শুরু করেন। ইফতার মুহুর্তে মাতৃ-দুগ্ধ পান করে ইফতার করেন। দিনের বেলায় সদ্যজাত এই শিশু দুধ পান বিরত ছিলেন। এই ভাবে পুরো মাহে রমজান রোযাব্রত পালন করেন। বাল্যকালে হযরত বড় পীর ছাহের (রহঃ) সাধারণ শিশুর ন্যায় তাঁর জীবন ছিলোনা তিনি মায়ের সাথে মক্তবে যান পবিত্র কোরআন শরীফ শিখতে। ওস্তাদজি তাঁকে আউযুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ ছবক দিতেই তিনি টেপ রেকর্ডারের ন্যায় একটানা আঠার (১৮) পারা কোরআন শরীফ মুখস্ত তিলাওয়াত করে ওস্তাদজিকে শুনিয়ে দেন। এতক্ষন ধরে ওস্তাদজি মনমুগ্ধ হৃদয়ে শিশু আব্দুল কাদীরের অলৌকিক তিলাওয়াত শ্রবণ করেন এবং শিশুটির ওই তিলাওয়াতের ইতিবৃত্ত শুনে তাঁর জীবন ধন্য হতে প্রাণপনে দো’য়া করেন। ওই শিশুটিই পরবর্তী কালে বহুমুখী শিক্ষার ধারক-বাহক হয়ে জগদ্বিখ্যাত শরীয়ত- ত্বরীকতের মহান আলেম ও পীর হন।

তিনি বিশ্ববাসীর নিকট ক্বাদেরীয়া-আলীয়া ত্বরীকার প্রবর্তন করেন। শরীয়ত -মারেফতের মহান ওলি হযরত বড় পীর আব্দুল ক্বাদের জিলানী (রহঃ) ছিলেন ছাহেবুল কারামত ও উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মহান ওলি। তিনি আমাদের নবীজির বংশধর একজন মহান ওলি। তাঁর জীবনটা ছিলো কারামতে ভরপুর। তিনি তাঁর পূর্ব পুরুষ-হুযুরে আক্বদাস (সাঃ) এর অন্যতম আশিক্ব।

তিনি প্রত্যেক আরবী মাসের ১২ তারিখ জাক-জমক পূর্ণভাবে আমাদের নবীজি (সাঃ) এর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালন করতেন। তাঁর এহেন কাজে মহানবী (সাঃ) খুশী হয়ে তাঁকে উপহার দেন “পবিত্র গেয়ারবী শরীফ” । প্রতি আরবী মাসের ১১ তারিখে যারা ওই “পবিত্র গেয়ারবী শরীফ” ভক্তি সহকারে পালন করবে – তারা আত্মিক উন্নতী সহ দো-জাাহানে অশেষ কামেয়াবী হাছিল করবে। আবহমান কাল ধরে বিশ্বের আশেকানে রাসূল (সাঃ) ও আশেকানে আউলিয়া তাঁর উছিলা ধরে দোয়া -মোনাজাত করে উপকার হাছিল করেছেন-করবেন।
সৈয়দ মুহিউদ্দিন হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী-গিলানী (রহঃ) এর জীবনে অগণিত কারামত প্রকাশিত হয়েছে- আরো অগণিত কারামত প্রকাশ হতে থাকবে। তন্মধ্যেই কয়েকটি
কারামত পাঠক সমীপে পেশ করা যাচ্ছে-

১. সৈয়দ মুহিউদ্দিন হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী-গিলানী (রহঃ) মায়ের উদর থেকে জন্মগ্রহন করার পর পরেই পুরো রমজান মাস রোযাব্রত পালন করেন।

২. হযরত ঈসা (আঃ) এর মু’জেযার ন্যায় তিনিও অনেক মুর্দাকে জীবিত করে মহান কারামত প্রদর্শন করেন। এতে অনেক ইহুদী-খ্রিষ্টান তাঁর হাতে ইসলাম গ্রহন করে।

৩. হযরত বড় পীর ছাহেব মায়ের শেকম থেকে আঠার (১৮) পারা কোরআন শরীফ হিফয; করে এই দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।

৪. একদিন তিনি মোরগের গোস্ত ভক্ষন করে ওই মোরখের হাঁড়-গোড় একত্রিত করে তাতে ফুঁ দেন । বাস – আল্লাহ পাকের কুদরতে হুযুরের কারামতে মোরগটি জ্যান্ত হয়ে কুকু কু
রবে আযান দেয়।

৫. তিনি এক রাত্রে ইফতার মূহুর্তে সত্তর বাড়িতে ইফতার করেন। এত কোন কোন মুরিদ মতানৈক্য করলে তিনি একটি বৃক্ষের নিচে বসে জিকির আরাম্ভ করলে তাঁর হাজারো
ছবি গাছের পাতায় ভেসে উঠে। এতে সকলেই তাঁর কারামত ও মহিমা উপলব্ধি করে।

৬. একজন দার্শনিক একটি নকল কোরআন শরীফ বড় পীর ছাহেবের নিকট আনলে তাঁর এক নজরে কোরআন শরীফটি শ্বেত-শুভ্র তথা অক্ষর শূন্য হয়ে যায়।

৭. একদিন বড় পীর ছাহেব (রহঃ) এক হোটেলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দোকানের ডিশে অনেক গুলো সিদ্ধ ডিম দেখতে পেয়ে ওইগুলোর প্রতি হাত দিতেই ডিম থেকে হাঁস-
মোরগের বাচ্চা বেরিয়ে কিঁত কিঁত শব্দ করতে থাকে।

৮. তাঁর পিতা হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) এর নিকট ৬ কন্যা সন্তানের মাতা এসে দো’য়া কামনা করেন যেন তাঁর গর্ভস্থ সন্তানটি পুত্র সন্তান হয়। কিন্তু তিনি মোরাকাবায় দেখতে পান গর্ভস্থ সন্তান ও কন্যা সন্তান হবে-পুত্র নয়………..বাপ-বেটার তর্ক বিতর্কের এক পর্যায় হযরত আবু মুসা সালেহ জঙ্গী (রহঃ) ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর পুুত্র আব্দুল ক্বাদিরের গালে একটি চড় মারেন, এতে পুত্র আব্দুল ক্বাদের অনুযোগ করে “ক্রদ্ধ চিত্ত্বে ঘোষনা করেন – আব্বু আমাকে আর মারবেন না। আমি বেলায়েত শক্তি ও কারামতের বদৌলতে পূর্বের ৬টি কন্যা সন্তান সহ গর্ভস্থ কন্যা সন্তান কে পুত্র সন্তানে পরিণত করে ফেলেছি”……….।

৯. হযরত রাসূলে খোদা (সাঃ) মি’রাজ শরীফে তাশরিফ নেয়া পাক কালে হযরত বড় পীর ছাহেবের কাঁদে ভর করে “সিদরাতুল মুনতাহা” থেকে নবীজিকে আরশ আযীমে পৌছান
বলে “বাহজাতুল আসরার” কিতাবে বর্ণিত আছে।

১০. তাঁর ইন্তেকাল পূর্বে তাঁর অসুস্থতা অবস্থায় তাঁর পেশাব মোবারক দর্শন করে একজন প্রখ্যাত হাকিম (ডাক্তার) ইসলাম ধর্ম কবুল করেন বলে তাঁর জীবনীতে পাওয়া যায়।

১১. জনৈকা বৃদ্ধা মহিলার ছেলে শ^শুর বাড়িতে গিয়ে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার মুহুর্তে বর যাত্রী সমেত একটি নদী বক্ষে সলিল সমাধি হলে হযরত বড় পীর
ছাহেব (রহঃ) এর দো’য়ার বরকতে বা কারামত বলে ১২ বছর পূর্বে মৃত বর-কনে সহ সকল বর যাত্রী জীবিত হয়ে যান। (সুবহানাল্লাহ) হযরত বড় পীর ছাহেব (রহঃ) যুগে ইসলামের করুণ হাল হলে দেখা দেয় নানা ফেরকার মানুষ এবং কতিপয় বদ আকি¦দা ধারী মুসলমানের কারনে ইসলাম ধর্মের জাঁ-কান্দানী অবস্থা হলে হযরত বড় পীর ছাহেব (রহঃ) শক্ত হাতে মুমূর্ষু ইসলামকে সঞ্জীবনী শক্তি দান করেন। এতে তাঁর লকব হয় মুহিউদ্দিন বা দ্বীনের জীবন দান কারী। বর্তমান বিশে^র শরীয়ত-ত্বরীকত-হাক্বীকত ও মা’রেফতের ক্রম ধারায় ইসলামের অর্ন্তনিহিত শিক্ষা বিরজমান । এই পথের পথিকগণ ইলমে তাসাউফের দীক্ষায় তাঁদের জীবন গড়েছেন। এঁদের মধ্যে চারজন মহা মনীষি আছেন। তাঁরা হলেন- হযরত বড় পীর ছাহেব আব্দুল ক্বাদির জিলানী (রহঃ) ।

তাঁর প্রবর্তিত ত্বরীকা হচ্ছে ক্বাদেরিয়া-আলীয়া। হযরত খাজা মুঈনউদ্দিন চিশতী (রহঃ) প্রবর্তিত ত্বরীকা হচ্ছে চিশতীয়া ত্বরীকা। হযরত বাহা উদ্দিন নকশ্ধসঢ়; বন্দী (রহঃ) প্রবর্তিত ত¦রীকা নকশ্ধসঢ়; বন্দীয়া এবং হযরত শেখ আহমদ চিরহিন্দী মোজাদ্দেদে আলফেসানী (রহঃ) প্রবর্তিত ত্বরীকা হচ্ছে মোজাদ্দেদীয়া ত্বরীকা। এছাড়া আরো বহু ত্বরীকা ও শাজারার মাধ্যমে ইলমে মা’রেফতের খেদমাত চলছে। সারা জাহানে ইসলামের মহান খেদমাত আনজাম দিয়ে ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার মহান প্রবর্তক হযরত বড় পীর ছাহেব (রহঃ) ৫৬১ হিজরীর ১১ রবিউস সানী তারিখে ওফাৎ প্রাপ্ত হন। তাঁর দামপত্ত্য জীবনে ৪৯ জন ছেলে-মেয়ে এই পৃথিবীতে দ্বীন ইসলাম ও ত্বরীকতের খেদমত করেছেন। হযরত বড় পীর ছাহেবের মহিমান্বিত ও আলীশান মাযার শরীফ ইরাকের বাগদাদ শরীফে অবস্থিত। বাংলাদেশ সহ বিশে^র অগণিত ভক্ত মুরিদান ও আম খাস মুসলমান তাঁর মহান মাযারে যিয়ারত করে
তাঁর রূহানী ফয়ুজাত হাসিল করছেন। তাঁর আদর্শ এবং ভালোবাসা অর্জনস করতে স্বক্ষম হলে সাধারণ একজন মুসলমান ও অত্যাল্প সময়ে একজন খাস অলীতে পরিনত হবে-ইনশাল্লাহ।

হযরত বড় পীর ছাহেব (রহঃ) সারা জীবন দ্বীন ইসলাম শরীয়ত-ত্বরীকতের বিভিন্ন বিষয়ে বেশ কিছু কিতাব রচনা করেছেন। তন্মধ্যে “সিররুল আসরার, ফতুহুল গয়ুব, গুনিয়াতুত
ত্বলেবীন, ক্বসিদায়ে গাউছিয়া” বিশ^খ্যাত। তাঁর প্রবর্তিত খতমে গাউছিয়া ও ক্বসিদায়ে বোর্দা খতম পালনে আল্লাহর অশেষ রহমত, বরকত ও নেয়ামত হাছিল করা যায়, তিনি আল্লাহর মা’রেফতে মুস্তাগরাক্ব হয়ে বিশ্ববাসীর জন্য বলেছেন- ‌কুল্লু ওলিয়্যিন আ’লা ক্বাদামী ওয়া ইন্নি আ’লা ক্বাদামীন নাবী বাদরিল কামালী” অর্থাৎ সমস্ত অলীদের কাঁধে আমার ক্বদম, আমার কাঁধে আমার নবীজির ক্বদম মোবারক।

আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে উপরোক্ত চার মহান আউলিয়া বিশেষতঃ হযরত গাউছে পাকের খাস তাওয়াজ্জুহ ও নেক নযর ধন্যজীবন নসিব করুন (আমীন সুম্মা আমীন)।

অধ্যক্ষ নুরুন্নবী রহমানী,পাটোয়ার ফাযিল মাদ্রাসা।
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা। মোবা- ০১৮১৫-৩২১৭৫১

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: