মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

কোটচাঁদপুর পৌরসভায় মেয়র পদপ্রার্থী মীর কাসেম আলী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা যৃবলীগের সাবেক সভাপতি মীর কাসেম আলী দীর্ঘ ৩৪ বছর আ.লীগের রাজনীতিতে নিবেদিত। ১৯৮৬ সালে রাজনীতিতে হাতে খড়ি। শুরুটা হয়েছিল ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে। হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের দুই দুই বার নির্বাচিত সভাপতি। পরবর্তিতে পৌর কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ঝিনাইদহ জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য। আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে যেয়ে মামলা হামলার শিকার হয়েছেন অনেক বার। তবুও স্বদালাপী মীর কাশেম আলী আওয়ামীলীগের রাজনীতি বুকে লালন করে দীর্ঘ ৩৪ বছর পার করছেন।

একান্ত আলাপচারীতায় মীর কাসেম আলী বলেন, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কোটচাঁদপুর উপজেলা শাখার যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে তার রাজনীতি শুরু। ১৯৮৭ সালে এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলনের ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাথে থেকে মূখ্য ভুমিকা পালন কালে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং ডিটেন্সশন ভোগ করেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় আাসার পর ৮ থেকে ১০টি মিথ্যা মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। ওই সময় বিএনপি জামায়াত বিরোধী আন্দোলন থেকে তাকে দুরে রাখতে ৭বার গ্রেফতার করে পুলিশ। একই সালে তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সে সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সব মামলা থেকে অব্যাহতি পান এই নেতা। ১৯৯৭ সালে তিনি পৌর সভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে যুবলীগের উপজেলা শাখার সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয় আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতা কর্মীরা মীর কাসেম আলীকে একজন দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ দাবী করে অভিন্ন বক্তব্যে তারা বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগী নেতা কর্মীদের কখনোই নিরাশ করেন না। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের তিনি ভাল কিছু উপহার দেন সব সময়। মীর কাসেম আলীকেও তিনি বিমুখ করবেন না বলে ওই সকল নেতা-কর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x