শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

ঝিনাইদহে নেতাদের লাগাম টেনে ধরতে পারছে না রাজনৈতিক দল

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

ঝিনাইদহে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রশ্নে দলীয় সিদ্ধান্ত মানছে না অনেকেই। বর্জনের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির অনেকেই। আবার দল সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে বিদ্রোহী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগেরও অনেকে। বিদ্রোহী (আ.লীগ) বা অংশগ্রহণকারীরা (বিএনপি) হাইকমান্ডকেই দোষারোপ করছেন। এতে করে নিজ দলের নেতাদের লাগাম টেনে ধরতে পারছে না বড় দুই দল।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মানছেন না মধ্যসারির নেতারা, মধ্যসারি নেতাদের কথা শুনছেন না কর্মীরা। বহিষ্কারের মতো কঠোর সাবধান বার্তাও আমলে নিচ্ছে না অনেকেই। ফলে চেইন অব কমান্ডে টান পড়েছে নির্বাচনমুখী দল বিএনপির। দলীয় চিন্তা-চেতনাকে জলাঞ্জলি দিচ্ছেন কেউ টাকার গরমে, আবার কেউবা সুবিধা পেয়ে।

নির্বাচন বিমুখ বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সরকারের অধীনে তারা আর কোনো নির্বাচনে যাবে না। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর বহিষ্কার হুশিয়ারি দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দলীয় সিদ্ধান্তকে মাথায় রেখেই তাদের কেউই নিজের পরিচিতিতে বিএনপির নেতা বা কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেননি। স্বতন্ত্র পরিচয়ে ফরম দাখিল করেছেন। তারা দলের চেয়ে ব্যক্তির চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। নমিনেশন জমা দেওয়া ব্যক্তিরা বলছেন,এখানে জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তাকেই ভোট দেবে। এটি হচ্ছে স্থানীয় নির্বাচন।

অনেকেই আবার ব্যক্তির চেয়ে দলকে বড় ভেবে সিদ্ধান্ত বদল করছেন। আবার কেউ দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অটল থেকে নির্বাচন বর্জন করছেন।

ঝিনাইদহ জেলায় মোট ৬৭টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে। তম্মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১১টি, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৫টি, মহেশপুর উপজেলায় ১২টি,শৈলকুপা উপজেলায় ১৪টি এবং হরিণাকুন্ডু উপজেলায় ৮টি ইউনিয়ন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x