শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

টাকার জন্য ঢাবি অধ্যাপক সাইদাকে হত্যা

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২২

গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা খালেকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ১১ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এ ঘটনায় আনারুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদার নির্মাণাধীন বাড়ির রাজমিস্ত্রির সহযোগী আনারুল। তার বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর উপজেলায়।

অধ্যাপক সাইদার ছেলে সাইদ ইফতেখার বিন জহির জানান, তার মা কাশিমপুরের পানিশাইল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখানে থেকে পাশেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হাউজিং প্রকল্পে বাড়ির নির্মাণকাজ দেখাশোনা করতেন। বাড়ির কাজও প্রায় শেষের দিকে। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে নতুন বাসায় ওঠার কথা ছিল।

তিনি বলেন, ‘বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার আগেই মায়ের বাসার দরজা খোলা পাওয়া যায়। বাসায় না পেয়ে শিক্ষক হাউজিং প্রকল্পের ঠিকাদার আনোয়ার তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে ওই রাতেই কাশিমপুর থানায় আমার বোন সাদিয়া আফরিন এ সংক্রান্তে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।’

পুলিশ সূত্র জানায়, সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য একটি গাছ কেটেছিলেন সাইদা খালেক। গাছটি সীমানা প্রাচীরের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় এটা কাটতে হয়েছিল। আনারুল ইসলাম নামে এক শ্রমিক গাছটি কেটেছিলেন। তাকেই পুলিশ সন্দেহ করে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করে। আনারুলের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভাড়া বাসার অনতি দূরের একটি ঝোপ থেকে অধ্যাপক সাইদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘাতক তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার, মোবাইল নিয়ে নেয়। এরপর চাবি নিয়ে বাসায় ঢুকে ল্যাপটপ, ট্যাব ও টাকা-পয়সা লুট করে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের কাশিমপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ মিজানুর রহমান জানান, নির্মাণাধীন বাড়ির প্লটে গিয়ে অধ্যাপক সাইদার খোঁজ-খবর নেওয়া হয়। তদন্তের নানা তথ্যের ভিত্তিতে ওই প্লটে কর্মরত রাজমিস্ত্রির সহযোগী আনারুলকে গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..