শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন

নারী উদ্যোক্তার  শিক্ষামূলক ভার্চুয়াল টিউটরিং প্লাটফর্ম দীক্ষা’র শুভসূচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৭ বার পঠিত

যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ভার্চুয়াল শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম দীক্ষা । বৃহস্পতিবার অনলাইনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর শুভ সূচনার ঘোষণা দেন নারী উদ্যোক্তা ও দীক্ষার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিনা খানম ।

রিনা খানম বলেন,করোনাকালীন এই সময়ে আমরা সবাই এখন পরিচিত অনলাইন ক্লাসের সাথে। ইউনিভার্সিটি থেকে স্কুল  সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এখন অনেক জনপ্রিয়। দীক্ষা সেরকমই একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম।দীক্ষা আমাদের দেশে তৈরি প্রথম অনলাইন ভার্চুয়াল ক্লাসরুম। ভাবলাম অনেক কিছুই তো আজকাল অনলাইনে হচ্ছে। তাহলে টিউশনও হয়তো অনলাইনে করা যাবে। টিউশন নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতে দেখলাম অনেক উন্নত দেশে এখন অনলাইন টিউশন বেশ জনপ্রিয়। এতে করে টিচার বা স্টুডেন্টকে কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। যে যার বাসায় থেকে যেকোন সুবিধাজনক সময়ে পড়তে পারে। আমার দীর্ঘ টিচিং অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে লাগলাম। আমাদের সাথে যুক্ত হলেন আরো কিছু কর্মী মানুষ।

দীক্ষার চীফ টেকনিক্যাল অফিসার রায়হান আল ইসলাম জানান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের ছাত্র হিসেবে  নতুন কোন প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আমার সবসময়ই ছিল। যেহেতু এটি একটি এডুকেশনাল প্ল্যাটফর্ম তাই আমরা বেছে নিয়েছিলাম WAVE মানে White Board Audio Video environment technology. বিশ্বের বিভিন্ন এডুকেশনাল ইন্সটিটিউটে WAVE technology ব্যবহার করা হয়। সেগুলো থেকে ভালো ফিচার গুলো এড করার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া প্রতিনিয়ত আমরা চেষ্টা করছি নতুন প্রয়োজনীয় ফিচার এড করতে। দীক্ষা ক্লাসরুমকে বর্তমানে অনেকেই অনলাইন টিউটরিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর বাইরেও ট্রেইনিং, ইনডিভিজুয়াল কোর্স পরিচালনায় দীক্ষা ক্লাসরুমকে কাজে লাগানো সম্ভব।

দীক্ষার অপারেশন টিমের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ফেরদৌসি শান্তা। তিনি জানান, “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রয়োজন ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা। দীক্ষা ভার্চুয়াল ক্লাসরুম হতে পারে একটি অন্যতম মাইলফলক।
বর্তমানে ৪৫০০ এর বেশি শিক্ষক দীক্ষার সাথে যুক্ত। আমাদের অপারেশন টিম প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন তাদের সাথে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এই কঠিন সময়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে অনলাইন সাপোর্ট দিয়ে যাওয়ার জন্য।তাদেরকে আমরা সুযোগ করে দিচ্ছি স্টুডেন্টদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য এবং তাদের পড়ানোর জন্য। এতে তারা যেমন তাদের পরাশুনা চালিয়ে যেতে পারছে, ঠিক তেমনি তাদের একটি বাড়তি আয়ের সুযোগও তৈরি হয়েছে। আমাদের অনেক শিক্ষক অনলাইনে দেশের বাইরেও পড়াচ্ছেন, যার মাধ্যমে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

দেশে এখন অনেক অনলাইন মিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার হয় যার প্রয়োজনে দেশ থেকে বের হয়ে যায় আমাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা। দীক্ষার মতো একটি দেশিও সফটওয়্যার যদি শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র ব্যবহার করা যায়, তাহলে দেশ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি অর্থনৈতিক ভাবেও স্বাবলম্বী হবে আমাদের দেশের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। http://www.dikkha.com এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে সব তথ্য ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..