শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

মধুতে রয়েছে যেসব উপকারিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ২ জুলাই, ২০২০
  • ৬৫ বার পঠিত

মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের সঠিক কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জোর দিচ্ছেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে মধু গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ভিন্নভাবে ইতিবাচক প্রভাব রাখে। আজকের এই ফিচারে জেনে নিন প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, মধু খুব দারুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। বলা হয়ে থাকে, আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাঝে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখার জন্য মধু কাজ করে। দৈনিক পরিমিত পরিমাণে মধু গ্রহণ করা হলে চোখের স্বাস্থ্য, পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাগুলো কমে যায়। এছাড়া মধুর সঙ্গে অন্যান্য প্রাকৃতিক ও উপকারী উপাদানের মিশ্রণ এর উপকারিতাকে আরও অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ

মধুতে থাকা উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপের মত গুরুতর সমস্যার পাশাপাশি ত্বকজনিত সমস্যাও কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফেনল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি আরও রয়েছে অর্গানিক অ্যাসিড ও ফ্ল্যাভনয়েড। যা সার্বিকভাবে পুরো স্বাস্থ্যের উপরে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারে ভূমিকা রাখে।

ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করে

হুট করে ঘুমের সমস্যা দেখা দিলে কিংবা ঘুমের নিয়মিত সাইকেল অনিয়মিত হয়ে গেলে প্রতিদিন অল্প পরিমাণে মধু গ্রহণের অভ্যাস্ত রপ্ত করতে হবে। মধু শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে, যা যে কোন ধরণের সেসুলার ড্যামেজকে কমিয়ে আনতে কাজ করে।

হৃদস্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

অবাক হওয়ার মত তথ্য হলেও সত্য, প্রতিদিন নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় মধু গ্রহণে ডায়াবেটিসসহ হৃদরোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। মধু ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে, যা পরবর্তীতে হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করে। পরিমিত পরিমাণ মধু গ্রহণে রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় এবং বৃদ্ধি পায় উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা। যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করে।

প্রাকৃতিক অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান

মধু থেকে নিঃসৃত হওয়া হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড অ্যান্টি-মাইক্রবিয়াল হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার জন্মে বাধাদান করে। এ কারণে কাঁচা মধু ও পানির মিশ্রণ মাউথওয়াশ হিসেবেও কাজ করবে। এছাড়া দাঁতের ক্ষতিগ্রস্ত মাড়িতে সরাসরি মধু প্রয়গে ব্যথাভাব ও প্রদাহ কমে আসার সঙ্গে অন্যান্য সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। এছাড়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে পাকস্থলিস্থ সমস্যা দেখা দেওয়ার হার কমাতেও খুব ভাল কাজ করে মধু।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..