শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন

মধুপুরে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার গৃহবধু রত্না

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০

টাঙ্গাইলের মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়নের কাকরাইদ রামকৃষ্ণবাড়ি এলাকার মুত নুরুল ইসলামের মেয়ে মোছা: রত্না আকতার নামে এক গৃহবধু নির্যাতনের শিকার হয়ে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা যায়, উপজেলার গাছাবাড়ি এলাকার আব্দুল বাছেদের ছেলে আমিনুর ইসলামের সহিত দুই বৎসর আগে তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর হতেই পাষন্ড স্বামী তার স্ত্রী রত্নাকে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু এতিম অসহায় রত্নার মা যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলে। রত্নার মা পরের বাড়িতে কাজ করে কোন ভাবে দিন যাপন করছে বলে রত্নার মা জানান।

এ দিকে করোনার কারনে কোন কাজ কর্ম না করতে পারায় তার সংসার এমনিতেই টানা পোড়ন চলছে। যৌতুকের জন্য চাপ দেয়া টাকা দিব কেমনে। রত্না জানায় আমার স্বামী মাঝে মধ্যেই বলত তোর মার কাছ থেকে যদি টাকা না এনে দিস আমি তোকে জানে মেরে ফেলব। বুধবার(১০জুন) আবার আমাকে টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ দিলে আমি বলি আমার মা টাকা কোথায় পাবে যে আমি তোমাকে টাকা এনে দিব। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারপিট করে।

রাতে আমি ঘুমিয়ে পড়লে আমার স্বামী, শাশুরী, ও স্বামীর বড়বোন তানিয়া রাত আনুমানিক দশটার দিকে আমার ঘরে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে আমাকে হামলা করে মারপিট শুরু করে। স্বামী আমিনুর বলে আজ তোকে মেরেই ফেলব এই বলে সে আমার মাথায় ইট দিয়া আঘাত করলে আমি মাটিতে পড়ে যাই। শাশুরী আয়শা বেগম আমার চুল ধরে টানা হেচরা করতে থাকে এবং ননদ তানিয়া এলোপাথারী ভাবে কিল, ঘুষি, লাথি মারিতে থাকে। আমার ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের কবল হতে আমাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এব্যাপারে আজ রবিবার(১৪ জুন) মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সুবিচার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x