বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

মানিকগঞ্জের আতঙ্ক সুলতালুন আজম খান আপেল!

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ৬০৮ বার পঠিত

মানিকগঞ্জবাসীর নতুন আতঙ্ক সুলতানুল আজম খান আপেল। জাসদের রাজনীতির মধ্য দিয়ে যার শুরু রাজনৈতিক জীবন। আওয়ামী লীগ বিদ্বেষী হলেও পরে বাগিয়ে নেন মানিকগঞ্জ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদবি। তবে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের জন্য এক সময় জাসদ থেকেও বহিষ্কার হোন বিতর্কিত আপেল। আপাদমস্তক বিতর্কে ভরা এই মানুষটির শিক্ষা জীবনও রহস্যে ভরা। এলাকায় তার নামের সাথে একটি কথা প্রচলন আছে- মেট্রিক ফেল ইন্টারমেডিয়েট। তিনি নাকি মেট্রিকের (এইচএসসি) জাল সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারী দেবেন্দ্র কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে তিনি এক সময় অনেক কষ্ট করে আত্মীয়, স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে অর্থ সহযোগিতা নিয়ে বিদেশ গিয়েছিলেন। তবে বিদেশের মাটিতেও স্বমহিমায় করেছেন নানা প্রতারণা। এর ফলে বিতারিত হয়ে ফিরে আসেন বাংলাদেশে। দেশে এসেই মানিকগঞ্জে একজন ঠিকাদারের ফোরম্যান হিসেবে চাকরি নেন। সেখান থেকেও অর্থ তছরুপের অপরাধে হোন চাকরীচ্যুত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৯১ সালে ভারতের ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ দাঙ্গার সময় মানিকগঞ্জে তার ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ঐসময় তিনি ছিলেন জাসদ ছাত্রলীগ নেতা। সে সময়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা মানিকগঞ্জের ঘিওরে এসেছিলেন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিরসন করে হিন্দু মুসলিমের সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করতে। তখন জাসদ ছাত্রলীগ নেতা এই আপেলের গুন্ডা বাহিনী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় হামলা চালায় এবং জাসদ এর নেতা মোজ্জাফরকে তারা নিজেদের বাহিনী দিয়ে হত্যা করে।

তৎকালীন ঘিওর থানা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে হত্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছিল এই আপেল। মানিকগঞ্জ থেকে তার ভয়ে অনেক হিন্দু পরিবার ঘর ছাড়া হয়েছে। কালে কালে খোলশ পাল্টিয়ে এই আপেলই বনে যান আওয়ামী লীগের বড় নেতা।

সুলতানুল আজম খান আপেলের রোষানোলের শিকার যারা-

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্টীয় ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মানুষের বাড়িঘর দখল ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্ম করেছেন তিনি। তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তার রোষানলের শিকার হোন জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন ক্রীড়া সম্পাদক আক্তার হোসেন। বর্তমানে তিনি পঙ্গুত্ব জীবন যাপন করছেন। ঐ সময়ের জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য শিপন কর্মকারের হাত-পা ভেঙে দেয় তার ক্যাডার রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু। এই হাবুকে তিনি ঐ সময় বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অনেক কর্মীকে নির্যাতন করেন।

বর্তমানে ভয়ংকর সেই রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। এই আপেলই আঘাত করেন জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক খান তুষারকে। ‘৯৬ এ তার লালিত ক্যাডার টাইগার মনির ও লাবলু ওরফে চোরা লাবলু এই আপেলের হয়ে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা করেননি। চোরা লাবলু এখন অবৈধ ব্যবসা করে চোর থেকে কোটিপতি।

এই সব অপকর্মের কারণে রাজনৈতিক অস্থিরতায় ওয়ান ইলেভেনের সেনা শাষিত সরকারের সময় সন্ত্রাস বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে শীর্ষ সস্ত্রাসীর তালিকায় আপেলের অবস্থান ছিল শীর্ষে।

যেভাবে বিতর্কিত এই নেতার উত্থান-

জানা গেছে, চার চালা একটি টিনের ঘর থেকে যার শুরু অল্প কিছু সময়ের ব্যবধানে বৈধ ব্যবসা ছাড়াই আপেল মালিক হয়েছেন কয়েকটি আলীশান অট্টালিকার। দুদকের ভয়ে তার নামে ছাড়াও অনেক সম্পত্তি তার ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নামে নিজের টাকা দিয়ে কিনে রেখেছেন।

সে যে সকল স্থাপনা তৈরি করেছেন তার চারপাশের প্রতিবেশির কিছু জায়গা দখল করেছে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে। প্রতিবেশিরা তার ভয়ে মুখ বুজে সব সহ্য করছে। লোকমুখে প্রচলিত- অনেক বাড়ি এবং জমির মালিককে জোর জবরদস্তি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জায়গা জমি ও বাড়ি ঘর দখল করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শূন্য থেকে মহাশূন্যে ভাসা এই আপেলের মানিকগঞ্জ শহরেই ১০ তলা দুইটি বাড়ি রয়েছে, একটি ৬ তলা ভবন। এর মধ্যে একটি মানিকগঞ্জ বাজারের স্বর্গ টাওয়ার। আরেকটি জমজম টাওয়ার নামে পরিচিত। যেটি নির্মাণাধীন। আট তলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মানিকগঞ্জ নগর ভবনের পাশেই গড়েছের ছয় তলার স্বর্গ নিবাস। আওয়ামী লীগ অফিসের পাশেই কিনেছেন ৫০ কোটি টাকা দাম দিয়ে জমি। আর দেশে মহামারি করোনার আঘাতে যখন মানুষ অসহায়। আর এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যখন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন মানবিক যুদ্ধে। ঠিক সেই মুহূর্তেই সুচতর আপেল ৫ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন শতরুপা বস্ত্রালয় মার্কেটটি।

আপেলের সংগীরাও যখন ভয়ংকর-

আগের মতো বর্তমানেও আপেলের পাশে তার সঙ্গী হয়ে রয়েছেন মানিকগঞ্জের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী ছাত্রদল নেতা নুরুল ইসলাম (পশ্চিম সেওতা)। যিনি বছর দুয়েক আগে অবৈধ অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। কারাগার থেকে মুক্ত হয়েই নুরুল ইসলাম আপেলের মদদে পুনরায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে থাকে। যার ফলে মানিকগঞ্জে মাদকের ভয়াবহতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। বেড়েই চলেছে সস্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

প্রসঙ্গত, নুরুল ইসলাম কয়েক মাস আগেও ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ ধরা পড়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, আপেলের ভ্যানগার্ড হিসাবে সমস্ত অপকর্ম পরিচালনা করছেন কুখ্যাত সস্ত্রাসী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সুমন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী মিঠু রায়, চোরা লাবলু, বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে নব্য যোগদানকারী সস্ত্রাসী মিজান, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজ্জাক। এছাড়াও মতিন বিশ্বাস, সোয়েব আহাম্মেদ রাজা (কাফাটিয়া) সহ আরও অনেকেই। চোরা লাবলু এক সময় বাসের চালক ছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমানা থেকে সে সময় বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল নিয়ে রাজধানীর আমিনবাজারে ধরা পড়েন পুলিশের কাছে। পরে আপেলের অদৃশ্য শক্তিতে পার পেয়ে যান চোরা লাবলু।

আপেলের অপকর্মের আরও সহযোগীরা হচ্ছেন- মাদকের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী হাসমত আলী, মিঠু রায়ের ভাই কমল রায় (মানিকগঞ্জের বাংলা মদ ব্যবসায়ী), আপেলের ছোটভাই মাদক হোতা আর দখলদার মাহবুব রহমান খালেদ (বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভাইটাল পোস্ট বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের ক্রীড়া সম্পাদক আলমগীর হোসেন, হামজা (কিশোর গ্যাঙয়ের সর্দার)। তার গঠিত কিশোর গ্যাঙ মানিকগঞ্জে নেশার আখড়া গড়েছে। এ তালিকায় আরও আছে মশিউর, পাতলা রনি, ইমন।

এর আগে সহকারী কমিশনার, ভূমি (এসিল্যান্ড) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার অপরাধে উপরে উল্লেখিত আপেল বাহিনীর সদস্যরা আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হোন। এছাড়াও ২০০০ সালের একটি জন নিরাপত্তা আইনের মামলায় আপেল বাহিনীর অন্যতম সদস্য সুমন, মিঠু, চোরা লাবলু আদালতের আদেশে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়।

মানিকগঞ্জের জিকে শামীম সুলতানুল আজম খান আপেল-

মানিকগঞ্জে ২০০৯ সাল থেকে এ পযর্ন্ত এলজিইডি ও পিডাব্লিউডি এর বড় বড় টেন্ডারের দখল নিয়েছেন এই আপেল। এছাড়াও সব নিকো মানি লেনদেনও হয়েছে তার মাধ্যমে। অন্যান্য ঠিকাদাররা টেন্ডার পেলেও সেই কাজের ১০-১৫ শতাংশ আপেলকে দিতে হয়েছে।

এর পরও থেমে থাকেননি হাজারো অপরাধের মূল হোতা আপেল। আপেল এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এপেক্স এর নামে কাজ করতে হবে এই শর্তে অন্যান্য ঠিকাদারের কাছে কাজ বিক্রি করতেন এবং আপেলের কালো টাকা সাদা করার জন্য তার লাইসেন্সের নামে কাজ করতে বাধ্য করতেন।

আপেল যখন ভূমিদস্যু-

মানিকগঞ্জ পৌরসভার নওখন্ডার দাসু বোসের পাঁচ কোটি টাকার সম্পত্তি দাসু বোসের স্ত্রী ও ছেলেকে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে নাম মাত্র মূল্যে জোর পূর্বক লিখে নেন তিনি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মানিকগঞ্জে নবনির্মিত ৮ তলা জজ কোর্ট ভবনের ঠিকাদারকে আটকিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোর করেই বিশাল অংকের টাকা আদায় করেছেন আপেল।

সম্প্রতি আপেলবাহিনীর যত আগ্রাসন-

এই আপেলের কর্মকাণ্ডে সুমনের নেতৃত্বে বিএনপি থেকে সদ্য যোগ দেওয়া কিছু ক্যাডার, মিজান, রাজ্জাক, সঞ্জু, মিঠু, ,খাজা রনিসহ আরও অনেকে বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেলের বাসায় হামলা চালিয়ে তার বাড়িঘর ভাংচুর করে। রুবেলকে না পেয়ে তার মা ও বোনের গায়ে হাত তুলে সন্ত্রাসীরা। যে ঘটনায় মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা হয়। আর সেই মামলার আসামি মিজান বর্তমানে রয়েছে কারাগারে।

মানিকগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে আপেল বাহিনীর প্রধান আপেল একটি আতঙ্কের নাম। আপেল বাহিনীর এসব অপকর্মে আওয়ামী লীগে জেলা ও থানা পর্যায়ের ত্যাগী নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ অনেকটাই দিশেহারা ও হতভম্ব।

মানিকগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতাদের যত অভিযোগ-

মানিকগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের নেতাদের অভিযোগ, মানিকগঞ্জ শহরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কোনো নেতা যদি বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ছবি দিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন বা তোরন নির্মাণ করে তাহলে আপেল ও আপেলের লোক জন সমস্ত ব্যানার ফিস্টুন ছিঁড়ে ফেলে। মানিকগঞ্জে শুধু আপেলের ব্যানার থাকবে অন্য কারও ব্যানার থাকবে না বলে বল প্রদর্শন করে।

দলীয় নেতাকর্মীরাও আপেলের নিপীড়নের শিকার-

গত ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা কর্নেল (অব:) আব্দুল মালেকের ২০তম মৃত্যিবার্ষিকীর আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের অনুষ্ঠান শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব সাহা এবং জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এহতেশাম হোসেন খান ভুনুর ওপর দলীয় কার্যালয়েই আপেল ও তার বাহিনী আক্রমণ করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। আর আওয়ামী লীগের মত একটি সুসংগঠিত দলের নেতার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদস্বরুপ এই দুই ত্যাগী নেতা মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আর এই ঘটনার পর জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব সাহা বলেন, আসলে আমরা কী বলবো। তার ব্যাপারে গোটা মানিকগঞ্জবাসী জানে। পর্যায়ক্রমে তা তুলে ধরবো।

দপ্তর সম্পাদক এহতেশাম হোসেন খান ভুনু বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে চাচ্ছি না। উনি অনেক বড় নেতা। ওনার সমালোচনা করে আমি বিপদে পড়তে চাই না।

তবে তারা পদত্যাগের কথা জানিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের ৭১ জন সদস্যদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও এই প্রতিবেদকের কাছে খোলশা করে কিছু বলেননি। তারা বলেন, এ ব্যাপারে দলের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ভালো বলতে পারবে।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সুলতানুল আজম খান আপেল মুঠোফোনে বলেন, মানিকগঞ্জে গ্রুপিং রাজনীতির ফলে তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে যা সম্পূন্ন ভিত্তিহীন। আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি বলেন।

মাদক, টেন্ডারবাজীর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, মাদকের সাথে এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। ঠিকাদারি তার প্রধান পেশা। তবে তিনি জোর করে কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে কোন কাজ নেননি। তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বচ্ছতা রেখে তিনি কাজ নেন।

৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিজেকে অকুতভয় সৈনিক হিসেবে দাবি করে তিনি বলেন, এক এগারোর সময় প্রধানমন্ত্রীর মুক্তির আন্দোলনেও তিনি সরব ভূমিকা পালন করেছে। তখন কাউকে ভয়ভীতি কিংবা সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের সাথে তিনি কোন ভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন।

মানিকগঞ্জে ১০ তলা দুইটি ভবনের কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, এটা তার যৌথ মালিকানায় করা। তার একার নন। তবে তিনি প্রতিবেদককে মানিকগঞ্জে গিয়ে তার সাথে দেখা করে বিস্তারিত জানতে বার বার অনুরোধ জানান।

সূত্র: বিজনেস টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..