মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

মির্জাগঞ্জে ফসলি জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে ফসলি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে অভিযোগকারী মজিবুর রহমানের পক্ষে তার পুত্র জাকির হোসেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোঃ জাকির হোসেন জানান, তার ১.৯১ একর জমির রেকর্ডীয় মালিক মহের উদ্দিন এর একমাত্র কন্যা আমার দাদি মোসাঃ জয়গুন বিবি ও জয়গুন বিবির খালা মোসাঃ সরুপ জান বিবি। রেকর্ডীয় ১.৯১ একর জমির মধ্যে ১ একর ফসলি জমি দখলে নিয়ে স্থানীয় একটি চক্র চাষাবাদ করছে।

এ বিষয়ে মজিবুর রহমান (২৫ জুলাই ২০২০)বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন , এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মির্জগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুই পক্ষকে থানায় ডাকেন এবং গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের কথা বললে উভয় পক্ষ তাতে রাজি হয়। পরবর্তীতে (১০ ও ২৭আগস্ট ২০২০) সালিশগন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সমুদয় জমির মালিকানা স্বত্ব বাদীপক্ষকে বুঝাইয়া দিয়া রোয়েদাদ নামায় দুই পক্ষের মানিত সালিশগন স্বাক্ষর করেন। যাহার কপি মির্জাগঞ্জ থানায় দেয়া হয়। কিন্তু এরপরও সালিশগনের স্বীদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে উল্টো বাদী পক্ষকে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করেন।

পরবর্তীতে বাদীপক্ষ প্রান নাশের হুমকীর প্রেক্ষিতে (৩০ আগস্ট ২০) তারিখ থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন। যাহার ক্রমিক নং ৮৭৬। এ ঘটনার ব্যাপারে তিনি দায়ী করেন ঘটকের আন্দুয়া গ্রামের আঃ ছত্তার গং, খবির হাওলাদার গং, রুহুল আমিন গং, আঃ জব্বার হওলাদার গং, ইছাহাক মাঝি গং ও ফোরকান হাওলাদার গংসহ আরো কয়েক জনকে।

অভিযুক্তের একজন মোঃ রুহুল আমিন তাদের বিরুদ্ধে আনিতো অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উক্ত জমি দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের দখলে আছে এবং ভোগ দখলীকৃত জমিতে রেকর্ডে কিছু ভুল আছে। তাই আমরা সংশোধনের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আদালত যে রায় দেবে তা আমরা মাথা পেতে নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x