রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪১ অপরাহ্ন

মেডিকেল সেন্টার সমস্যায় ভরপুর, সেবা পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) মেডিকেল সেন্টার নানা সমস্যায় ভরপুর। ‘ব্যাথার দান’ নামক এই চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসক, স্টাফ, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ ব্যাথা লেগে আছে প্রায় সব জায়গাতেই।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকমতো পাওয়া যায়না চিকিৎসা সেবা, সরবরাহ করা হয়না পর্যাপ্ত ওষুধ।  তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এর ভিন্ন বাস্তব চিত্র। পাঁচ বছর আগে যতোজন  চিকিৎসক ছিলেন এখনো তাই আছেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হলেও বাড়েনি চিকিৎসক, বাড়েনি স্টাফ। ওষুধ সরবরাহের জন্য পাঁচ বছর আগেও বাজেট ছিল যা, তা এখনো একই রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কয়েকটি সরঞ্জাম থাকলেও নেই কোনো ইসিজি কক্ষ, প্যাথলজি ল্যাব। আবার ইসিজি মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাম যন্ত্র থাকলেও জনবলের অভাবে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশেই চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায় হাসপাতালের স্টাফরা নিজেরাই মেডিকেল সেন্টারটি পরিষ্কার করেন।
মেডিকেল সেন্টারের এর সার্বিক অবস্থা নিয়ে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. এম এম আশরাফ উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘মেডিকেলে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স নেই। সর্বসাকুল্যে স্টাফ আছেন মাত্র ৭ জন। টেকনিশিয়ান নেই। ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন আছে তবে কক্ষ নেই। টেকনিশিয়ানের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা সরঞ্জাম। স্থান সংকুলানজনিত সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে প্রথম থেকেই। নতুন ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে এতো লিমিটেশনের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সেবা দিতে পারি। তবে প্রশাসনের সুদৃষ্টি না পেলে মেডিকেল সেন্টারের অবস্থা আরো সূচনীয় হয়ে পড়বে।’
ছাত্র উপদেষ্টা তপন কুমার সরকার বলেন, ‘নতুন হল খোলা হলে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। যেকোনো মুহূর্তে যে কারও সমস্যা হতে পারে। আমি চাই মেডিকেল সেন্টারটি যেন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয়। পাশাপাশি যেন এর সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়।’
রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হ‌ুমায়ূন কবীর সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা সামনে মেডিকেল সেন্টারকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিচ্ছি।’
উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মেডিকেল সেন্টার ব্যথার দানে কিছুই করতে পারিনি। সদিচ্ছা ছিল কিন্তু দক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগ দিতে না পারায় তেমন কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স নেই। এসব পদে জনবল নিয়োগের চেষ্টা থাকলেও নানা প্রতিবন্ধকতায় তা আর করা সম্ভব হয়নি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x