বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

যশ ও খ্যাতির শীর্ষে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি স্বপন হোসেন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আমার চোখে দেখা অজ পাড়া গাঁয়ের সেই ছোট্ট ছেলেটি ৭/৮ বছর আগে লেখাপড়া করতে কুষ্টিয়া শহরে আসে। পড়াশোনা করা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শকে বুকে ধারণ করে কুষ্টিয়া শহরের স্বনামধন্য কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছে। তার যশ-খ্যাতি বর্তমানে সর্বমহলে এখন প্রশংসিত, তিনি হলেন মনোহরদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলামের ছোট ভাই স্বপন হোসেন।কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মনোহরদিয়া গ্রামের বংশীয় ঘরে তার জন্ম।

ছোটবেলা থেকেই ওখান থেকে তার বেড়ে ওঠা। ওখান থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক এর গণ্ডি পেরিয়ে চলে আসে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে, ভর্তি হন একাদশ শ্রেণিতে। ধীরে ধীরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তিনি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অপবাদ লক্ষ্য করা যায়নি। তার বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সমস্ত কর্মকাণ্ড তার সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন।

১৯৪৭ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যবধি যতগুলো ছাত্রনেতা কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের ছাত্র রাজনীতি করেছেন তার মধ্যে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের বর্তমান ছাত্রলীগ সভাপতি স্বপন হোসেন সব থেকে সফল ছাত্র নেতা বলে বিবেচিত এবং প্রশংসার দাবিদার।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক স্বপন হোসেনের আছে বর্ণাঢ্য ছাত্র রাজনীতির ক্যারিয়ার । কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের সভাপতি নির্বাচিত হাওয়ার আগে তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সুনামের সহিত তার উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেন । এরপর তিনি কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের হোস্টেলের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেন।

ছাত্রলীগের পরিক্ষীত সৈনিক, মুজিবীয় আদর্শ ধারণ করে স্বপন হোসেন ছাত্রলীগসহ আওয়ামীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সাথেও প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করে আসছেন তার বর্ণাঢ্য ছাত্র রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে । বিভিন্ন প্রকার সামাজিক ও উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে নিয়োজিত করেন । যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:-কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও ব্লাড গ্রুপিং কর্মসূচি।

তিনি প্রতিবেদককে বলেন, কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রুপকার জননেতা জনাব মাহাবুব উল আলম হানিফ ভাই এর সার্বিক দিকনির্দেশনা ও কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার সু যোগ্য চেয়ারম্যান জনাব আতাউর রহমান আতা ভাই এর সার্বিক সহযোগিতায় কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সর্বদা মানব সেবায় নিয়োজিত করে রেখেছি।

করোনা কালীন সময়ে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপনের ভুমিকা ছিল প্রশংসার যোগ্য বলে বিবৃতি দিয়েছেন আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা । করোনা কালীন সময়ে তিনি কুষ্টিয়া ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পদক সাদ আহমেদের সাথে পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ, মাস্ক বিতরণ সহ নানা মুখি ভূমিকা পালন করেন । ইতিমধ্যে স্বপন হোসেন তার নিজ কর্ম দক্ষতা গুণে এবং ব্যবহারে সাবেক কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদের আহম্মেদের আস্থার পাত্র হিসাবে বিবেচিত হন।

সর্বশেষ স্বপন হোসেন প্রতিবেদককে বলেন, আমি যতদিন এই কলেজে দায়িত্বরত আছি ততদিন পর্যন্ত মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে সর্বদা সকলের সেবা করে যাবো ইনশাল্লাহ জয় বাংলা- জয় বঙ্গবন্ধু।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x