শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

৬৯টি শস্যগুদামের মালিকানা ছাড়ল এলজিইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার ৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৯ বার পঠিত

১৯৭৮ সালে শস্যগুদাম ঋণ কার্যক্রমের আওতায় ২৭টি জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ৮১টি গুদাম। এসব গুদামের মধ্যে ১২টি ছিল কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের (ডিএএম) এবং অবশিষ্ট ৬৯টি ছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি)। তবে সেগুলো ভাড়ায় পরিচালনা করে আসছিল ডিএএম। ৪২ বছর পর এসব গুদামের মালিকানা হস্তান্তর করল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

এলজিইডির ৬৯টি শস্যগুদামের মালিকানা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে হস্তান্তর ও ১০৬টি উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য গতকাল কৃষি মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সমঝোতা সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এলজিইডির মালিকানাধীন ৬৯টি শস্যগুদাম কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খান।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্যনিরাপত্তা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সারা দেশে আরো শস্যগুদাম নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণও সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ নিয়ে কোনো সংকট নেই।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, কৃষি খাতকে আরো আধুনিকায়ন, গুণগত পরিবর্তন এবং প্রযুুক্তির বিকাশ ঘটাতে উপজেলা পর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ সঠিক সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত। এর মাধ্যমে কৃৃষকরা সারা বিশ্বে উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়ে কৃষিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..