সারা দেশে বর্তমানে গ্যাস সংকটে দুই হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। টেকসই উৎস নিশ্চিত না করে শুধু এলএনজি আমদানির মাধ্যমে এ সংকট মোকাবেলা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। এ অবস্থায় নির্ভরতা বেড়েছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর সরবরাহ ঠিক রাখতে কয়লা রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে গতকালই এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে দেশের জ্বালানি খাতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগেরই জ্বালানি পরিকল্পনা সাজানো হয়েছিল ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানিতে গুরুত্ব দিয়ে। যদিও বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ইন্দোনেশিয়ার দুয়ার বন্ধ হয়ে গেলে প্রয়োজনে বিকল্প বাজার থেকে কয়লা আমদানি করা হবে।
মূলত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ডমেস্টিক মার্কেট অবলিগেশন (ডিএমও) নীতিমালা প্রয়োগ করতে গিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাকার্তা। এ নীতিমালা অনুযায়ী দেশটির কয়লা উত্তোলন শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট বার্ষিক উত্তোলনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত পেরুসাহান লিসট্রিক নেগারাকে (পিএলএন) সরবরাহ করতে হয়। এক্ষেত্রে উত্তোলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইন্দোনেশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য পরিশোধ করা হয় টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০ ডলার করে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাত ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানীকৃত কয়লার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হলেও দেশটির নতুন এ সিদ্ধান্ত নিয়ে এ মুহূর্তে খুব একটা দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ইন্দোনেশিয়া কয়লা রফতানি বন্ধ করলেও সেটি সাময়িক সময়ের জন্য। তার পরও আমরা বিভিন্ন দেশের কয়লা আমদানি নিয়ে কথা বলে রেখেছি। যদি কয়লা আমদানির এ উৎস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া আমাদের জন্য খোলা রয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: জুনায়েদ আহমদ হালিম # নির্বাহী সম্পাদক: সানজিদা হক প্রমা # বার্তা প্রধান: মামুনুর রশিদ # প্রধান প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আসিফ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০২৪