শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

বোরো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ লাখ টন কম!

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২২

নিউজটি শেয়ার করুন

বোরো মৌসুমে প্রথমবারের মতো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা দুই কোটি টনের বেশি নির্ধারণ করেছিল কৃষি মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ টন বোরো ধান, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ লাখ টন কম। ফলে দেশের চাহিদা মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই ৮ লাখ ৬৫ হাজার টন চাল আমদানি করতে হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে বোরো আবাদের মাধ্যমে দেশে প্রায় ২ কোটি ৮ লাখ ৮৫ হাজার টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছিল। এর জন্য ৪৮ লাখ ৭২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দেশে বোরো আবাদ হয়েছে ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯৮ হেক্টর জমিতে। এতে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৮৩ টন ধান। ফলে ডিএই লক্ষ্যমাত্রা থেকে দেশে বোরোর আবাদ ও উৎপাদন দুটোই কমেছে। লক্ষ্যমাত্রা থেকে দেশে বোরো আবাদ কমেছে প্রায় ১৪ হাজার ৪০০ হেক্টর ও উৎপাদন কমেছে প্রায় ১০ লাখ টন।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশী জাতের চালের উৎপাদন হয়েছে ৫৬ হাজার ৬০ টন, উফশী চালের উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ২৭৬ টন ও হাইব্রিডের উৎপাদন হয়েছে ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৭ টন। গত অর্থবছরে উফশী চালের উৎপাদন প্রায় ২ শতাংশ ও দেশী জাতের উৎপাদন ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে। তবে হাইব্রিডের উৎপাদন বেড়েছে ১২ শতাংশের বেশি।

এ বিষয়ে সাবেক খাদ্য সচিব আবদুল লতিফ মন্ডল বলেন, বাজার পরিস্থিতি বলছে চালের ঘাটতি কিংবা অব্যবস্থাপনা রয়েছে। এজন্য দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চালের মোট উৎপাদন বাড়াতে হবে। স্বল্পমেয়াদে চালের সরবরাহ বাড়াতে আমদানি বাড়ানো প্রয়োজন। কেননা চালের দাম এখন বেশ উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। সেখানে কৃষকের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা করা যায় সেটি নিয়ে ভাবতে হবে।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x