মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

৩ তলা বাড়ি তাঁর, তবু চাই সরকারি ঘর

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজের তিন তলা বাড়ি, তাতে কি হয়? দরকার সরকারি জায়গা আর ঘর। তাইতো বিলাসবহুল বাড়িতে থেকেও তাঁর নিতে হলো সরকারি ঘর। তিনি টিআর, কাবিটা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়েছেন। এতক্ষণ বলে যাওয়া মানুষটিকে এবার চেনা প্রয়োজন। তিনি সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নারী ইউপি সদস্যের বোন মোছা. আমেনা খাতুন।

ইউপি সদস্য নুরতাজ বলেন, আমি ঘর আমার বোনকে দিয়েছি। সে ওই ঘরেই বসবাস করত। কিন্তু বিদ্যুৎ আর রাস্তার অভাবে সেখানে যাতায়াত করতে পারে না। তাই ঘরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য নুরতাজ বেগম অসহায়দের বঞ্চিত করে নিজেই হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারি ঘর। তিনি তার বোনকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের টিআর, কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ঘর প্রদান করেছেন। ঘরটি প্রায় ৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এই ঘরে কেউ বসবাস করেন না। উপকারভোগী আমেনা বসবাস করছেন তিনতলা বিলাসবহুল বাড়িতে। যার ৫ তলার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গরিবদের বঞ্চিত করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন ইউপি সদস্য নুরতাজ।

জানা যায়, আমেনা তার বাবার সম্পত্তি পেয়েছে। সেখানে তারা সম্মিলিতভাবে ৫ তলা বাড়ি নির্মাণ করছেন। উপকারভোগী আমেনা সেখানেই থাকেন। সরকারি ঘরে প্রায় তিন বছর ধরে কেউ থাকে না। তারা অনেক সম্পদের মালিক। তারপরও সরকারি ঘরই তাদের লাগে। যাদের সামর্থ্য নেই তাদের না দিয়ে নিজেরাই এসব লুটে নিয়েছে।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x