শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:২০ অপরাহ্ন

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও সাম্য ও মানবিক মর্যাদার স্বপ্ন পূরণ হয়নি

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে অঙ্গীকার করা হয়েছিল- স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু এসব অঙ্গীকার আজও পূরণ হয়নি। বরং দিনে দিনে বৈষম্য বেড়েছে। স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছর পরেও আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশে অতি ধনী ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে। অপর দিকে গরীব আরও গরীব হয়েছে।

শুক্রবার গাবতলী বড় বাজার সংলগ্ন শহীদ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দারুস সালাম থানা শাখায় আয়োজিত “আদর্শ সমাজ বিনির্মানে রমজানের ভূমিকা”- শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন; স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যই ছিল সব ধরনের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার। অথচ আমরা সমাজের সর্বত্র বৈষম্য লক্ষ্য করছি। বৈষম্য দূরীভূত করে সত্যিকারের সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার কাজে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

দারুস সালাম থানা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ গিয়াস উদ্দিন পরশ বলেন; প্রায় ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের হিজাব পরিধান করতে বাঁধা দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীদের নামাজের জায়গা তুলে দেয়া হয়েছে। অসাম্প্রদায়িকতার ধোঁয়া তুলে কিছু মুসলিম নামধারী কুলাঙ্গাররা বারবার ইসলামকে কটাক্ষ করে সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। দেশে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে কোনও প্রতিবন্ধকতা মেনে নেয়া হবে না। এদেশে ঘাপটি মেরে থাকা ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিকদের ব্যাপারে সরকার ও প্রশাসনকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে।

আলোচনা সভায় থানা ও ওয়ার্ড শাখার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x