রবিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

ঈদ গেলেও কমেনি মুরগি-গরুর মাংসের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মে, ২০২২

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদুল ফিতরের আমেজ শেষে বেশির ভাগ মানুষ কর্মস্থলে ফিরলেও বাজারে এখনও ঈদের আমেজ কমেনি। বরং ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে বাড়িয়ে বিক্রি করা মুরগি ও গরুর মাংসের পাশাপাশি রুই, পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়াসহ অধিকাংশ মাছ বিক্রি হচ্ছে সেই বাড়তি দামে। মুরগির মধ্যে ব্রয়লার মুরগির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। আকারে ছোট পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ২৬০ টাকায় পিস। দেশি ছোট মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা পিস। আর বড় সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা পিস। আর দেশি বড় মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পিস। অথচ ঈদের আগে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছিল ১৬০ টাকা কেজিতে। যা ঈদের সময় বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে। অর্থাৎ ঈদের সময়ের বাড়তি দরে এখনও বিক্রি হচ্ছে মুরগির মাংসের দাম।

দাম বাড়লেও ক্রেতা কম থাকায় বেচা-কেনা কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, গরু কেনায় খরচ বেশি, তাই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, মেহমানদের ভালো কিছু খেতে দেওয়ার জন্য বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে গরুর মাংস।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১২০ টাকা কেজির পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৪০ টাকা কেজিতে। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে। আর দেশি শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে। চাষের মাগুর মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

দেখা গেছে, ক্রেতাদের উপস্থিতি একেবারেই কম, অনেক দোকানও খোলেনি। তবে যে কয়টি দোকান খোলা রয়েছে সেগুলোতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা কেজিতে, ছাগল-খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজিতে। ঈদের আগে একই দোকানে ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গরুর মাংস ঈদের দিন বিক্রি হয়েছে ৭০০ থেকে ৭৩০ টাকা কেজিতে।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x