মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

বুস্টার পেয়েছেন সোয়া ৪ কোটি মানুষ, টিকা এসেছে ৩২ কোটি ৩১ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ৩২ কোটি ৩১ লাখ ডোজের বেশি টিকা আমদানি এবং চার কোটির বেশি মানুষকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

সরকারী দলের সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চলতি বছরের ২২ আগস্ট পর্যন্ত ৩২ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ৫০০ ডোজ টিকা আমদানি করা হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম শুরুর পর এ পর্যন্ত (২২ আসস্ট ২০২২) ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৭৮ জনকে টিকার প্রথম ডোজ, ১২ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৭৪০ জনকে দ্বিতীয় ডোজ এবং ৪ কোটি ২৭ লাখ ৬৯ হাজার ৭৭৭ জনকে টিকার তৃতীয় তথা বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারসহ জনবল সংকটে কারনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলের এমপিরা। বিএনপির হারুনুর রশিদ বলেন, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও জনবল সংকট। স্বাস্থ্যসেবা ভাল না বলেই মানুষ ভারতে চিকিৎসার জন্য চলে যাচ্ছে। দেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।

জাসদ এর শিরিন আখতারও তার এলাকার ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর জনবল সংকটের কথা তুলে ধরেন।
জাতীয় পার্টির পীর ফজুলর রহমান বলেন, একই ওষুধ একেক কোম্পানীর দাম একেক রকম। ওষুধের মুল্য সাধারন মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সমন্বয় করে একই মুল্য রাখার দাবি জানান।

জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, জনবল সংকট মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর জনবল আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে পুরন করার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, ওষুধের দামের তারতম্য খুব বেশি হওয়া উচিৎ নয়। এবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেনের (ঢাকা-৪) প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে মান-সম্পন্ন ঔষধের ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার সবসময় সচেষ্ট হয়েছে। নকল-ভেজাল, আনরেজিস্টার্ড ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ । মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণমমাঠ পর্যায়ে নিয়মিত ঔষধের দোকান পরিদর্শন ও তদারকি করে থাকে। তাছাড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x