মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

জয়ী হলে ডিএনসিসির ১৫ নং ওয়ার্ডকে স্মার্ট ওয়ার্ডে পরিণত করবেন রফিকুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উপনির্বাচন আগামী ১২ জুন। এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে ১৫ জন প্রার্থী জনসংযোগ করছেন। তবে তাদের মধ্যে নির্বাচনে জয়ী হলে সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
সাবেক সেনা পরিবারের কৃতি সন্তান রফিকুল ইসলাম তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে ১৬ দফায় নাগরিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেছেন।

নির্বাচনে জয়ী হলে এই কাজগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৫ নং ওয়ার্ডকে একটি  স্মার্ট ওয়ার্ডে পরিণত করতে চান উচ্চ শিক্ষিত এই তরুণ প্রার্থী।
রফিকুলের নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে রয়েছে:
১. সকল পুরাতন রাস্তা সংস্কার ও নতুন রাস্তা নির্মাণ
২. যে সমস্ত অলিতে-গলিতে এখনো কাচা রাস্তা রয়েছে, সেখানে সুয়ারেজসহ নতুন রাস্তা নির্মাণ
৩.সকল গলিতে এলইডি সড়ক বাতি স্থাপন
৪. ১৫ নং ওয়ার্ডে সরকারী কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ
৫. খেলার মাঠ ও শিশু পার্ক নির্মাণ
৬. ওয়ার্ডের সকল পাড়া-মহল্লার সড়কে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করে সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করা
৭. সকল বস্তিবাসীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাকরণ
৮. পাড়া মহল্লার গুরত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপন
৯. বিনামূল্যে আইসিটি ও কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ এবং কল সেন্টারের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা প্রদান
১০. যেসব এলাকায় পানির সমস্যা সেখানে নতুন পানির পাম্প স্থাপন
১১. ওয়ার্ড কার্যালয়ে অফিসিয়াল কার্যক্রম অনলাইন সেবা নিশ্চিত করণ
১২. তাবলিগ জামায়াতের মুসল্লিদেও জন্য ওয়ার্ড ভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় মারকাজ স্থাপন ও একটি কেন্দ্রীয় মহিলা তালিম ঘর স্থাপন
১৩. ওয়ার্ডে একটি মডেল মসজিদ নির্মাণ ও মক্তব এবং ইসলামিক পাঠাগার নির্মাণ যেখানে সর্বসাধারণের বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষাদান ব্যবস্থা করা
১৪. হিন্দু ধর্মালম্বীদের জন্য আধুনিক মডেল মন্দির ও অন্যান্য ধর্মালম্বীদের গীর্জা এবং প্যাগোডা স্থাপন
১৫. ওয়ার্ডে একটি সরকারি মা, শিশু ও প্রসূতি সেবাদান কেন্দ্র/স্যাটেলাইট ক্লিনিক স্থাপন
১৬. মাদক, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী প্রতিরোধে এলাকা ভিত্তিক সন্ত্রাস দমন কমিটি গঠন ও প্রতি এলাকায় সিকিউরিটি গেট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন ।

এছাড়া এলাকার জনমত জরিপে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছে রফিকুল। প্রায় সব দলের সমর্থকরা ক্লিন ইমেজের এই প্রার্থীকর পক্ষ নিয়েছেন। কারন উচ্চ শিক্ষিত এই তরুণ প্রার্থী নামাজী সৎ এবং মিশুক। এর আগে তিনি মহামারী করোনাসহ নানা সংকটে এবং সামাজিক কাজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর কাছে প্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিতি পান। তাই শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তাকে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন।

ডিএনসিসির ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, জনগণ যদি আমাকে ভোট প্রদানের মাধ্যমে জয়ী করলে ১৫ নং ওয়ার্ডের প্রয়াত কাউন্সিলরের অসমাপ্ত কাজসহ উক্ত ওয়ার্ডকে একটি স্মার্ট ওয়ার্ডে পরিণত করবো। সব সময় আপামোর জনতা আমাকে নাগরিক সেবার জন্য তাদের কাছে পাবে এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

এক পর্যন্ত ভোটারদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন এই প্রশ্নে রফিকুল বলেন, ‘‘আমি সেনা পরিবারের সন্তান। বিধায় ১৫ নং ওয়ার্ডের বিশাল একটা অংশ সেনা সদস্যসহ অন্যান্য সরকারি চাকুরিজীবিদের। তারা সকলেই আমাকে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং নানা ভাবে গাইড লাইন দিচ্ছেন। এছাড়া ওয়ার্ডের সকল স্তরের পেশাজীবী মানুষজন আমাকে ভালোবাসে এবং তরুন প্রজন্ম ইতিমধ্যে আমার সাথে জনসংযোগে অংশগ্রহন করছেন।

উল্লেখ্য, ডিএনসিসির ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সালেক মোল্লার মৃত্যুর পর এই ওয়ার্ডের উপনির্বাচনের ঘোষনা দেওয়া হয়। ১৫ নং ওয়ার্ডটি ক্যান্টনমেন্ট থানা, ভাসানটেক থানা ও পল্লবী থানার একাংশ। এখানে ভোটারের সংখ্যা ৮৫ হাজার ৮৮৬ জন। আগামী রবিবার (২৮ মে) এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উপনির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x