শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

পরীক্ষার খাতায় বিশেষ সংকেত, মিলেছে ঘুষের প্রমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবায় জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালগুলোতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল টেকনিশিয়ান ও ক্যার্ডিওগ্রাফারসহ প্রায় দুই হাজার ৮০০ শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। প্রতিটি নিয়োগে ১৫-২০ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন, এমনকি উত্তরপত্রে একাধিক স্ট্যাপলিং করা ছিদ্র এবং পেন্সিলে লেখা অস্পষ্ট সংকেত পাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের পুরো এ প্রক্রিয়ার মুখোশ উন্মোচনে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা যায়, ২০২০ সালের ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে ৭২ হাজারের বেশি আবেদন জমা হয়। ওই বছরের ডিসেম্বরে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে টেকনিশিয়ান ও টেকনোলজিস্ট পদে উত্তীর্ণ হন চার হাজার ৪৫৩ জন। মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত উত্তীর্ণদের নিয়োগ দেওয়া কথা।

বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হলেও সন্দেহের সূত্রপাত হয় তখন যখন দেখা যায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ পরীক্ষার্থী অস্বাভাবিক বেশি নম্বর পান। দুর্নীতির গন্ধ আরও গাঢ় হয় যখন ওইসব পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ নম্বর পেলেও মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেন বা অনেক কম নম্বর পান। এমনকি খাতায় লেখা প্রশ্নের বিষয়ে যথাযথ জবাবও দিতে ব্যর্থ হন তারা। অথচ কম নম্বর পাওয়া পরীক্ষার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অনেক ভালো করেন। এরপরই বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ঘুষ লেনদেনের তথ্য প্রকাশ পেতে থাকে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রায় ২৫০০ পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে একাধিক স্ট্যাপলিং করা ছিদ্র এবং পেন্সিলে লেখা বিভিন্ন ধরনের সংকেতের প্রমাণ মেলে। যার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তারা। যে কারণে সংস্থাটি অনুসন্ধানে নামে। দুদকের অনুসন্ধানে প্রায় ২৫০০ পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে একাধিক স্ট্যাপলিং করা ছিদ্র এবং পেন্সিলে লেখা বিভিন্ন ধরনের সংকেতের প্রমাণ মেলে। যার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তারা

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়োগ কমিটির সভাপতি হাসান ইমাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’ এটা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x