সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন

সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৭৬ পদ শূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

করোনা মহামারির মধ্যে দীর্ঘ সময় নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারি চাকরিতে এবার রেকর্ড সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে। গত কয়েক বছর চার লাখের কম পদ শূন্য থাকলেও এবার ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৭৬টি পদ শূন্য আছে। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্মচারীদের পরিসংখ্যান-২০২২ প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে শূন্য পদসহ সরকারি চাকরির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে অনুমোদিত পদ আছে ১৯ লাখ ১৫১টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮১৮ জন। বাকি ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৭৬টি পদ এখন শূন্য। সরকারি চাকরিতে মোট পদের ২৫ দশমিক ৭৮৬ শতাংশ পদ ফাঁকা রয়েছে। সংখ্যা ও শতাংশের হিসাবে এত সংখ্যক পদ এর আগে কখনই ফাঁকা ছিল না।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে ২০১৮ সালে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৭টি, ২০১৯ সালে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩৮, ২০২০ সালে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৯৫৫ এবং ২০২১ সালে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ১২৫টি পদ শূন্য ছিল।

এখন সরকারি চাকরিতে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের (আগের প্রথম শ্রেণি) ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৬টি অনুমোদিত পদ রয়েছে। এসব পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫১৪ জন। ফাঁকা আছে ৬৪ হাজার ৫৮২টি পদ। ১০ থেকে ১২তম গ্রেডে (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) ২ লাখ ৯১ হাজার ১১১টি পদের বিপরীতে কাজ করছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৪ জন। ফাঁকা রয়েছে ৯৭ হাজার ৪৪৭টি পদ। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে (আগের তৃতীয় শ্রেণি) ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৪০টি পদ রয়েছে। এসব পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৬ লাখ ৩ হাজার ৪৩৩ জন। ফাঁকা আছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৭টি পদ। অন্যদিকে ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে (আগের চতুর্থ শ্রেণি) ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৪৬৯টি পদ রয়েছে। এসব পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৪ লাখ ১৫ হাজার ১০৪ জন। ফাঁকা রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৬৫টি পদ।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, করোনার মধ্যে লকডাউন চলাকালে অন্য সবকিছুর সঙ্গে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়াও থমকে যায়। বিভিন্ন দপ্তরে সরকারি চাকরির প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ দফায় দফায় স্থগিত করা হয়। করোনা মহামারির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিসিএস বাদে অন্যান্য সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের বয়সে সর্বোচ্চ ৩৯ মাসের ছাড় দেয় সরকার। ফাঁকা পদগুলো দ্রুততার সঙ্গে পূরণ করতে সাম্প্রতিক সময়ে দপ্তরগুলোকে কয়েক দফা তাগাদাও দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপরও নিয়োগ প্রক্রিয়া তেমন গতি পায়নি।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x