শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

নতুন ভিসা নীতি বিশ্লেষণ করে আমাদের রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ জুন, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি বিশ্লেষণ করে দেশের রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, আমদের মত উদিয়মান দেশগুলোর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। আমাদের দেখতে হবে, এই নীতি আমদের কোন অংশে আঘাত হানে। সেই হিসাবে রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করতে হবে।

গতকাল সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এডুকেশন রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (ইআরডিএফবি) আয়োজনে ‘মার্কিন নতুন ভিসা নীতি : বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য ড. আখতারুজ্জামান এসব কথা বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, ভিসা নীতি নিয়ে দুটি বক্তব্য উঠে এসেছে। ভিসা নীতি অসংগতিপূর্ণ এবং অস্পষ্টতা ও বাস্তবায়ননীতির গ্রহণযোগ্যতা নেই। মূলত যুক্তরাষ্ট্র নতুন নীতি অবলম্বন করছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধেও সরকারের পরিবর্তে কিছু ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিষেধাজ্ঞা আমরা লক্ষ্য করেছি।

ড. আখতারুজ্জামান বলেন, আমার ধারণা দুটি কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমরা ৩৫ তম শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ। ২০৪০ সালের মধ্যে ২০ তম শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ পরিকল্পনা আছে। এই পরিকল্পনাকে নস্যাৎ করা ও আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এই ভিসা নীতি দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. দেলোয়ার হোসেন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। ইআরডিএফবি সভাপতি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনসহ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান ও ঢাবি অধ্যাপক ড. গোবিন্দ চক্রবর্তী।

ড. গোবিন্দ চক্রবর্তী বলেন, নতুন ভিসা নীতি নিয়ে রাজনৈতিকরা তাদের নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তাই নীতি নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা প্রয়োজন। সাধারণ বিষয়কে এখানে খুব বড় ভাবে দেখা হচ্ছে। আমাদের আয়ের বড় উৎস গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি। যার অধিকাংশ আয় আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। অন্যান্য দেশ থেকে এই পণ্য আমদানিতে তাদের ব্যয় অনেক বুদ্ধি পাবে। ফলে আমাদের রপ্তানিতে তারাই বেশি লাভবান হচ্ছে।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x