শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

দুই সিটিতে প্রতীক পেয়েই প্রচারে প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গতকাল শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই সরাসরি আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নেমে গেছেন প্রার্থীরা। মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর প্রার্থীরা মুসল্লিদের কাছে প্রচারপত্র বিলি করেন। স্লোগান, মিছিল, মাইকে প্রচার, নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন—এসব কর্মকাণ্ডে দুই নগরজুড়ে নির্বাচনে বাড়তি আমেজ যোগ হয়। কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগও পাওয়া যায়।

 

সিলেটে আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রথম দিনেই জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীর প্রচারে হামলা এবং এ ঘটনায় একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে অভিযোগ করা হয়। রাজশাহীতে দুপুরে প্রচার শুরুতে বাধা হয় প্রখর রোদ্দুর।

সিলেটে যেভাবে প্রচার :

সিলেটে রিটার্নিং অফিসার ফয়সল কাদের গতকাল সকাল থেকে প্রতীক বরাদ্দ দিতে শুরু করেন। সিলেট সিটি করপোরেশনে (সিসিক) মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তাঁদের মধ্যে চারজন দলীয় প্রার্থী। বাকি তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে যথারীতি আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নৌকা প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম বাবুল লাঙল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুল হাসান হাতপাখা এবং জাকের পার্টির প্রার্থী মো. জহিরুল আলম গোলাপ ফুল প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু ঘোড়া, মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন ক্রিকেট ব্যাট এবং মো. শাহজাহান মিয়া বাস গাড়ি প্রতীক পেয়েছেন।

নগরের মেন্দিবাগ এলাকায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাঁদের কর্মী-সমর্থকরা জড়ো হতে থাকেন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর কাউন্সিলর প্রার্থীরা দ্রুত প্রতীকের রেপ্লিকা তৈরি করে জুমার নামাজের পরপরই প্রচারে নেমে পড়েন। অনেকে গতকাল নির্বাচনী কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন।

প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনের প্রচার চালাব। আমার প্রতীক নৌকা দেশের উন্নয়নের প্রতীক।

সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার প্রায় পাঁচ লাখ ভোটার নৌকায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করবেন বলে আমি আশাবাদী।’আনোরুজ্জfমান গতকাল প্রথমে নগরের মেন্দিবাগ ও উপশহর এলাকায় প্রচার শুরু করেন। এ সময় তিনি পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিসিকের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের শেখঘাট জামে মসজিদের মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুশহীদ জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন এবং সেখানে নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নির্বাচনে তাঁদের সমর্থন চান। সন্ধ্যা ৭টায় নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় হোটেল নির্ভানা ইনে তাঁর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। রাতে মৌলভীবাজার সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় এবং ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক করার কথা ছিল আনোরুজ্জামানের।

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম বাবুল গতকাল দুপুরে নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকার কালেক্টরেট মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের দোয়া ও সমর্থন চান। পরে রাত ৮টার দিকে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় তাঁর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন কর হয়। এরপর রাত ৯টায় নজরুল ইসলাম বাবুল কুমারপাড়া পয়েন্টে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x