বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

আগামী বছর দলবেধে চীনাদের বিদেশ ভ্রমণ বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনাদের বিদেশ ভ্রমণ বৃদ্ধির ঘটনাই হবে ২০২৪ সালের মূল গল্প। দলগত ভ্রমণের (গ্রুপ ট্র্যাভেলিং) ক্ষেত্রে চীনের অনুমোদনের তালিকায় নতুন নতুন দেশ যুক্ত হবে। এসব দেশে সাধারণত ব্যক্তিগত ভ্রমণের চেয়ে দলগত ভ্রমণে ভিসা পাওয়া সহজ। এর ফলে বিদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে চীনাদের পর্যটন ব্যয় বাড়বে। মাস্টারকার্ড ইকোনমিকস ইনস্টিটিউটের (এমইআই) বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের ১৩টি দেশের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আলোকে ‘ইকোনমিক আউটলুক: ব্যালেন্সিং প্রাইসেস অ্যান্ড প্রায়োরিটিজ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে মাস্টারকার্ড। প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে মাস্টারকার্ডের সমন্বিত ও অজ্ঞাতনামা বিক্রয় কার্যক্রম এবং  অর্থনৈতিক কার্যকলাপ পূর্বাভাসের বিভিন্ন মডেল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমান ভ্রমণে কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর ভিত্তি করে আবার নির্দিষ্ট কিছু করিডোরের পুনরুদ্ধার ঘটবে। চলতি বছরে যেখানে ভ্রমণপিপাসুদের সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে; আগামী বছর অর্থ্যাৎ ২০২৪ সালে পর্যটকেরা উত্তর-পূর্ব এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মাস্টারকার্ডের এশিয়া প্যাসিফিক এর চিফ ইকোনমিস্ট ডেভিড ম্যান বলেন, ‘‘চীনাদের বহির্মুখী ব্যয়ের পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।’’ তিনি জানান, “মহামারির আগে চীনের মূল ভূখণ্ডের পর্যটকেরা আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় কেনাকাটায়, বিশেষ করে বিলাসবহুল পণ্য কেনাকাটাকে বেশি গুরুত্ব দিত। মহামারি-পরবর্তীকালে এখন চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরের পর্যটকদের বিনোদন ও খাওয়া–দাওয়ায় অনেকটা আগের মতো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ভ্রমণ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের এই পরিবর্তন থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চীনা পর্যটকদের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখতে হলে, বিশ্বব্যাপী পর্যটন কর্তৃপক্ষ ও খুচরা বিক্রেতাদের কৌশলগত দিকের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।”

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x