
রহমান সাহেব আজিমপুর থেকে শ্যামলীতে নিজের কর্মস্থলে যান বাসে চড়ে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়াতে শনিবারে তার বের হতে হয়েছে। প্রতিদিন অফিস যাওয়ার সময় গণপরিবহন পেলেও আজ আর নেই। কিন্তু অফিসেতো যেতেই হবে। তাই রিকশায় করেই যেতো হলো তাকে। তবে প্রতিদিনের ১০টাকা ভাড়ায় আর যাওয়া হয়নি। যেতে হয়েছে ৮০ টাকা দিয়ে। রহমান সাহেবের মতো এমন অবস্থা অধিকাংশ মানুষের।
সাধারণ মানুষ বলছেন, পরিবহন ধর্মঘট চলছে এ কারণে বিপদে পড়েছি। জরুরি প্রয়োজনে বের হয়ে উপায় না পেয়ে মোটরসাইকেলে করে ভেঙে ভেঙে যাচ্ছি।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করায় ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে গতকাল শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে সড়কে বাস ও ট্রাকসহ পণ্যপরিবহন বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। আজ শনিবারও তারা রাজধানীসহ সারাদেশে গণ ও পণ্যপরিবহন বন্ধ রেখেছে। এতে যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
শনিবার সকাল থেকে রাজধানীতে বাস ও মিনিবাস চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে সড়কে বিআরটিসির বাস, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও রিকশায় যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রাইভেটকারেও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।