
ডিজেল, কেরোসিনের বাড়তি দামের ঘা না শুকাতে সাধারণের জন্য খারাপ সংবাদ নিয়ে আসতে পারে গ্যাস ও বিদ্যুত। আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারে তা সমন্বয় করতে চায় সরকার। যদিও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম কমার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে। খসড়া চূড়ান্ত হলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আর না কমলে চলতি মাসে দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে।
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) তথ্যানুযায়ী, সরকার গত ১১ বছরে ১০ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এ সময়ে বিদ্যুতের পাইকারি দাম বেড়েছে ১১৮ শতাংশ। খুচরা পর্যায়ে বেড়েছে ৯০ শতাংশ। সর্বশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, বাড়তি দামে এলএনজি কেনায় সরকারকে কত টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে তার হিসাব করছে ছয়টি গ্যাস সরবরাহকারী কম্পানি। আর্থিক বিশ্লেষণের কাজ শেষে কম্পানিগুলো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেবে। একই সঙ্গে গ্যাস ট্রান্সমিশন কম্পানি লিমিটেডও (জিটিসিএল) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেবে।