রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

জবি টিএসসিতে “সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প” নাটক প্রদর্শিত

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৫৫

নিউজটি শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে উন্নয়ন নাট্য প্রদর্শনী হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চ পরিষদের আয়োজনে রবিবার সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নাটকটি মঞ্চায়িত করা হয়।
‘সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প’ নামক নাটকটির রচনা ও নির্দেশনা ছিলেন মুক্তমঞ্চ পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নাঈম রাজ।
নাটকটিতে অভিনয় করেছেন কপোতাক্ষী নূপুরমা সিঞ্চি, মমতাজ আরা বর্ষা, উম্মি হানি, রাকিবুল ইসলাম নিলয়, বিথী রানী মন্ডল, সৌরভ বিশ্বাস ও সজীব রায়।
এছাড়া লাইট ডিজাইনার হিসেবে ছিলেন মাহবুবুর রহমান ও কস্টিউমস ডিজাইনার হিসেবে কপোতাক্ষী নূপুরমা সিঞ্চি।
অনুষ্ঠানে সভাপতি ও মঞ্চ পরিকল্পনা ছিলেন মুক্তমঞ্চ পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নাঈম রাজ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সৌরব দেব।
নাটকের বিষয়বস্তু: বর্তমানে আমরা এক ভয়াবহ মহামারির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছি। এই মহামারি করোনা মহামারি থেকেও বিভৎস। যা দিন দিন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করছে। মানুষের মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটছে। মানুষ ভয়াবহভাবে সাম্প্রদায়িকতার বিজ বহন করে চলছে। সাম্প্রদায়িকতা বিশেষ অর্থে খারাপ কিছু না তবে এর প্রয়োগ যদি, ধর্মীয় গোড়ামির দিকে ইঙ্গিত করে সেটা কখনোই মঙ্গল কর না।
আমরা ইতিপূর্বে বহু সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নজির দেখেছি। যার ফল স্বরূপ এই রাষ্ট্র ধ্বংস আর রক্তাক্ততা ছাড়া কিছুই পাইনি।
সাম্প্রদায়িক সহিংসতা কখনোই কাম্য নয়- তা নৈরাজ্য ছাড়া কিছুই দিতে পারে না। যুদ্ধক্ষেত্রের অস্ত্রহীন সৈনিক নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারে কিন্তু সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় কেউ নিরাপদ নয়।
গত দিনগুলোতে বাংলাদেশ ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতা গুলোর বিরুদ্ধে রচিত হয়েছে “সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প” নাটকটি।
এই নাটকে অগাস্ত বোয়ালের “উন্নয়ন নাট্য” আঙ্গিকে ব্যবহার করা হয়েছে।
নাটক প্রদর্শনীর সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরগণ, অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ সহ সাধারণ জনগণ দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই নাটকের একটি অংশ দর্শকদের মতামতের ভিত্তিতে অভিনেত্রী হয়।
এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: