
চালের পর এবার বাজারে আরো বেড়েছে ডালের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বড় দানার মসুর ডালের দাম পাঁচ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অবশ্য অনেক দোকানে এখনো আগে কেনা ডাল ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
টিসিবির বাজারদরের তালিকা অনুযায়ী, খুচরা দোকানে বড় দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা ছিল। সরকারি সংস্থাটির হিসাবে এই মানের ডালের দাম এক বছরে বেড়েছে ৫২ শতাংশ। গত বছর এ সময় দাম ছিল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা।
তবে মাঝারি দানার মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা কমে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছোট দানার ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের দাম ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি।
সপ্তাহ দুয়েক আগে কেজিপ্রতি দুই থেকে ছয় টাকা পর্যন্ত বেড়েছে চালের দাম। এখনো সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে।
তবে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। কিছু অপ্রচলিত সবজিও বাজারে এখন নিয়মিত সরবরাহ হচ্ছে। ফলে সবজির দাম তুলনামূক কম রয়েছে। এ ছাড়া পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ মসলা পণ্যের দামও আগের মতোই কমে বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচা, মুগদাসহ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ সবজির দাম ৪০ টাকার মধ্যে। বাজারে কয়েক মানের টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহের তুলনায় পাঁচ থেকে ১০ টাকা কম। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি আকার অনুসারে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা প্রতিটি। ব্রুকলির দামও প্রতিটি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।
গাজর, শালগম ও মুলা ৩৫ থেকে ৪০, আলু ২০, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৫০ থেকে ৬০, শিম ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। তবে ঢেঁড়স ও বরবটি গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন সবজি হওয়ায় দাম এখন ১০০ টাকা কেজি।
বাজারে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। আদা ৭০ থেকে ১২০ টাকা, রসুন ৬০ থেকে ১২০ টাকা কেজি।
কিছুটা কমে ব্রয়লার এখন ১৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, সোনালি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। ডিম আগের মতোই ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা হালি।