সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

বাজেটে ন্যূনতম ৫শ’ কোটি টাকা বিশেষ বাজেট বরাদ্দ ও পৃথক দপ্তর স্থাপনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ৫৭

নিউজটি শেয়ার করুন

সমতলের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির জন্য জাতীয় বাজেটে ন্যূনতম ৫০০ কোটি টাকা বিশেষ বাজেট বরাদ্দ ও পৃথক দপ্তর স্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আদিবাসী ইউনিয়ন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাতীয় বাজেটে আকার বড় হলেও ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে সমতলের আদিবাসীদের জন্য থোক মাত্র একশো কোটি টাকা থোক বরাদ্দ ছিলো। যা ৩০ লক্ষ আদিবাসীর মধ্যে জনপ্রতি গড় হিসেবে দাড়ায় মাত্র ৩৩৩ টাকা। যে টাকা দিয়ে কোন ভাবেই আদিবাসীদের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ মৈত্রী মিলনাতনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। আদিবাসী নেত্রী রাখী ম্রং-এর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে ধারণাপত্র পাঠ করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক অবনী কান্ত হাজং। বক্তৃতা করেন আদিবাসী ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ডা. দিবালোক সিংহ ও সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত মাহাতো, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সহ-সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিগুলোর সুবিধা থেকেও আদিবাসীরা বঞ্চিত। বর্তমানে মানুষের মাথা পিছু গড় আয় বেড়ে দাড়িয়েছে দুই হাজার ৮২৪ ডলারে। কিন্তু একজন গারো, হাজং, কোচ, বর্মণ, রাজবংশী, সাঁওতাল, মাহাতো, পাহান, মাহালি, মুণ্ডা, পাহাড়িয়া, মালো, বাগদী ও অন্যান্যদের মাথা পিছু গড় আয় দুই হাজার ৮২৪ ডলারে পৌছানোর আশা সুদুর পরাহত।

এ সময় সুপারিশ ও দাবিসমূহ তুলে ধরে বলা হয়, একশো দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি ভিজিডি, ভিজিএফ, কাবিখাতে দরিদ্র আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্তিসহ তাদের জন্য স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। জাতীয় বাজেটে বাঙালী, পাহাড়ী ও সমতলের আদিবাসীদের বাজেট বৈষম্য নিরসন করতে হবে। ভূমিহীন আদিবাসীদের খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়াসহ গৃহহীনদের জন্য ঘর বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। আদিবাসী তরুণদের জীবিকায়ন ও কর্মসংস্থানে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ ও দক্ষতাবৃদ্ধি প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: