
জাগো নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক মুরাদ হোসেনের ওপর হামলা করেছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে আহত মুরাদকে উদ্ধার করে পাশের জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগ ৬০ ফিট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সাংবাদিক মুরাদ হোসেন জানান, অফিসের অ্যাসাইনমেন্টে শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যেশে রওনা হন। তিনি ৬০ ফিট এলাকার আগারগাঁও বাজারের সামনে পৌঁছালে চার-পাঁচ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এলোপাথারি মারধর শুরু করে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীরা তার সাংবাদিকতা নিয়ে কটাক্ষ্য এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকী দেয়। সন্ত্রাসীদের লোহার রডের আঘাতে তার নাক, মুখ ও চোখে আঘাত লাগে।
মুরাদ জানান, আক্রমণের সময় তার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। চোখের মধ্যে তীব্র আঘাতের কারণে পথচারীরা তাকে রিকশায় উঠিয়ে পার্শবর্তী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক তার পরিস্থিতি দেখে হাসপাতালে ভর্তি না রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেন। পরদিন ঘটনার বিবরণ দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অভিযোগ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বিবৃতি
সাংবাদিক মুরাদ হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি।ডিআরইউ’র সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ডিআরইউ এর স্থায়ী সদস্য ও কাযনিবাহী কমিটির সাবেক সদস্য মুরাদ হোসেনের উপর সন্ত্রাসীদের হামলা ও জখমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একইসাথে পেশাদার সাংবাদিকের উপর এ ধরনের হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। একজন পেশাদার সংবাদিকদের উপর এ ধরণের হামলার ঘটনায় ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ গভীর দু:খ প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনায় ম্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপস্থি। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ।