বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ ও বাজার থেকে অপসারণে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট, ২০২৬
  • ২০

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবজীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্ট (ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো) ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ এবং বাজার থেকে অপসারণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগতভাবে কর্তৃত্ববিহীন ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট বিভাগ রুল নিসি জারি করেছেন। বিচারপতি জে.বি.এম. হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়া-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) এ রুল জারি করেন।

রুলে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে, মানবজীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সকল ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্ট (ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো) ও নিকোটিন পাউচ বাজার থেকে অপসারণ এবং/অথবা নিষিদ্ধ করার জন্য বিবাদীদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ কেন প্রদান করা হবে না।

বাদীপক্ষের আবেদনে বলা হয়েছে, ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্ট ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত। এসব ক্ষতিকর পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, অপসারণ এবং/অথবা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮(১) এবং অনুচ্ছেদ ৩২-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির ব্যত্যয়।

উল্লেখ্য যে, “Voyage of Discovery” মামলায় ধারাবাহিকতায় সুপ্রিমকোর্ট-এর মহামান্য হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগ তামাক শিল্প বা বিড়ি কারখানা স্থাপনের জন্য লাইসেন্স প্রদান সীমাবদ্ধ করা এবং বিদ্যমান তামাক ও বিড়ি কোম্পানিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ও যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে তামাকজাত পণ্য উৎপাদন থেকে সরে এসে অন্য শিল্পে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের এ নির্দেশনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মামলাটির বাদীগণ হলেন এ. কে. এম. মাকসুদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ, হেলাল আহমেদ এবং মোঃ আমিনুল ইসলাম। তারা দীর্ঘদিন ধরে তামাক প্রতিরোধে কাজ করে আসছেন। তারা ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্ট (ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো) ও নিকোটিন পাউচের মতো ক্ষতিকর পণ্যের বিস্তার রোধে জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে কার্যকর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আদালতের শরণাপন্ন হন।

আদালতে বাদীপক্ষের হয়ে মামলাটির শুনানি করেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ। শুনানিতে তারা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮(১) ও ৩২ এবং ক্ষতিকর ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায়িত্বের বিষয়গুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেন।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: