বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

বিএনপি’র নির্বাচনে না এসে উপায় নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩
  • ৭৩

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতির পর তারা (বিএনপি) মনে করেছিল একটি দেশের ভিসানীতি তাদের ক্ষমতায় এনে দেবে। কিন্তু বাস্তবচিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আগামীতে তাদের নির্বাচনে না এসে আর কোন উপায় থাকবে না। তারা রিটার্ন জমা দিতে ন্যূনতম দুই হাজার টাকা কর প্রদানের বিষয়টি ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সোমবার সংসদে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এ সব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওই আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় অংশ নেন সরকারী দল আওয়ামী লীগের আবুল হাসান মাহমুদ আলী, শহীদুজ্জামান সরকার, এনামূল হক ও কাজী নাবিল আহমেদ এবং বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ডা, রুস্তম আলী ফরাজী ও ফখরুল ইমাম।

আলোচনা শেষে আজ মঙ্গলবার সম্পুরক বাজেট পাস হবে। এরপর আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনা শুরু হবে। যা আগামী ২৬ জুন পাস হবে। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করা হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, করোনা মহামারির সময় নানা প্রতিকূলতায় বেশক’টি মন্ত্রণালয় তাদের বাজেট বরাদ্দ পুরোপুরি ব্যয় করতে পারেনি। ফলে মূল বাজেট থেকে হ্রাস করে চলতি অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেট ১৭ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। মূল বাজেট ছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারির সময় শিল্প-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব খাতে এবং শহর থেকে তৃণমূল পর্যন্ত মানুষকে প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে দেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের গতি সচল এবং জনগণের জীবন প্রবাহও সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় এখন বঙ্গবন্ধুর সুখী সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে দেশ। অচিরেই দেশ উন্নত দেশের কাতারে শামিল হবে।

শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, শেখ হাসিনার সুদক্ষ ও দৃঢ় নেতৃত্ব বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার ঘুরে দাড়িয়েছে। আবার দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ আর্থসামাজিক খাতে প্রাণ সঞ্চার এসেছে। পুরো গতিতে উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে। এ গতি এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন। তার স্বপ্নের পদ্মা সেতু একক প্রচেষ্টায় সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

বিএনপি’র আশা ভঙ্গ হয়েছে দাবি করে কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, মার্কিন ভিসানীতি তাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট বলে দিয়েছে, কোন দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলো বা না করলো সেটা তাদের বিষয় নয়। তাদের অগ্রাধিকার হলো নির্বাচনকে প্রতিহত করার হুমকি দিল কিনা এবং নির্বাচনে সহিংস কিছু করলো কিনা? এখন বিএনপি নিজেদের জালে নিজেরাই ধরা খাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। সেখানে সবাই অংশগ্রহণ করে তাকে অর্থবহ করে তুলবো। যারা এতিমের টাকা মেরে খায় তাদের দ্বারা কোন ভালো কাজ করা সম্ভব নয়। প্রধনমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযাযী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে বলে তিনি দাবি করেন।

সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে এক লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। মানবসম্পদ খাতে ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা, ভৌত অবকাঠামো খাতে ২ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিশ্বাস করেন বলেই এটা করা হয়েছে। তিনি সব সময় বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের দু:খ-দুর্দশা চিন্তা করেন বলেই তার চিন্তাপ্রসূত বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যেমন বিধবা ভাতা, দুস্থ ভাতার ব্যবস্থা করেছেন।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: