বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

জনসমর্থনে এগিয়ে হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী খোকন

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৯৩

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী ২৬শে ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলাতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত নির্বাচনে কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে হেভিওয়েট প্রার্থী জিয়াউর রহমান খোকন নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগরের রূপকার, বিশিষ্ট সমাজসেবক, আলাউদ্দিন নগর শিক্ষাপল্লীর জনক ও হেলথকেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ’র ভাতিজা এই স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকন। গত ১ বছর আগে তার বড় ভাইয়ের জীবন বাঁচিয়েছেন তার শরীর থেকে একটি কিডনি বিচ্ছিন্ন করে। বর্তমানে তিনি একটি কিডনি নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। সে কারণেই তার উপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে।

যে মানুষটি নিজের জীবন বাজি রেখে অন্যের জীবন বাঁচাতে পারে, সে আমাদেরকেও বাঁচাবে এবং এলাকার উন্নয়ন করবে। জিয়াউর রহমান খোকন, তরুণ প্রজন্মের আইকন হিসেবে ইউনিয়ন ব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে ২০১১ সাল থেকে। ২০১১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে উক্ত ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নওশের আলীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০১৬ সালের নির্বাচনে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে খোকন ঐ প্রার্থীর কাছেই পরাজিত হয়। এবারও নওশের আলীই তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী। উক্ত ইউনিয়নে তিনজন মনোনয়ন তুলেছিলেন, নজরুল ইসলাম নামে একজন প্রার্থী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন।

উক্ত ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের মধ্যে মনোহরপুর, সদরপুর, নন্দলালপুর, পুঠিয়া, আলাউদ্দিন নগর, এলঙ্গী হাবাসপুর, কাশিমপুর, বুজরুক বাখই, বুজরুক দুর্গাপুর, উত্তর ভবানীপুর, পুরাতন চড়াইকোল, দড়িকমলপুর, শিবরামপুর ও দুর্গাপুরের গ্রামবাসীর সঙ্গে সরাসরি কথা বললে তারা প্রতিবেদককে বলেন, চেয়ারম্যান হিসাবে এবার আমরা দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ’র ভাতিজা খোকনকে নির্বাচিত করতে চাই।

সেই সাথে তারা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান যে, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। এদিকে জিয়াউর রহমান খোকন বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যা দিয়েছে তা যথেষ্ট। অন্য কোন অর্থবিত্তের উপর আমার লোভ লালসা নেই, আমি শুধু জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। তিনি এটাও বলেন, মোটরসাইকেল প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে অত্র ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে আমি যাচ্ছি ভোটের জন্য এবং বিভিন্ন পথসভা করে চলেছি। সেখানে আমি অঙ্গীকার করে যাচ্ছি যে, এবার নির্বাচিত হলে আমাদের ইউনিয়নকে আমি একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করব।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x