সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

জাবিতে ছাত্রীর বিরুদ্ধে সিনিয়র ছাত্রকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৭১

নিউজটি শেয়ার করুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে এক ছাত্রকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত  ছাত্রী প্রীতিলতা আবাসিক হলে থাকেন। তিনি নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বটতলার রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন। এ সময় ঐ ছাত্রী তার এক বান্ধবীসহ একই রাস্তা ধরে বিপরীত দিক থেকে আসছিলেন। ঐ ছাত্রী শিক্ষার্থীদেরকে রাস্তা ছেড়ে দিতে বলেন। তখন ওই ছয় ঐ শিক্ষার্থীরা জানান রাস্তায় যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা আছে। এ সময় ঐ ছাত্রী উচ্চবাচ্য শুরু করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থীর হস্তক্ষেপে তখনকার মতো বিষয়টি থেমে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, এর কিছুক্ষণ পর ওই ছাত্রীর ছেলেবন্ধু শিহাব খান দিগন্ত সেখানে যান। তিনি ওই ছয়জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেন। কথা বলার সময় ওই ছাত্রী পেছন থেকে গিয়ে ওই ছয়জনের মধ্যে একজনের শার্টের কলার ধরে উপস্থিত সবার সামনে চড় মেরে দেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোরগোল শুরু হয়। পরে ওই ছাত্রী ও তার বান্ধবী বটতলার একটি দোকানে ঢুকে পড়েন।

পরবর্তীতে রাত দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় তারা অভিযুক্ত ও বাদীদের প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

লাঞ্ছনার শিকার আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ভুক্তভোগী ছাত্র বলেন, ‘আমি তাকে নিয়ে কোনরকম অসম্মানজনক শব্দ পর্যন্ত উচ্চারণ করিনি। কিন্তু মেয়েটি বারবার সকলের সামনে ঔদ্ধত আচরণ করে আসছিল। একপর্যায়ে হঠাৎ করেই আমাকে আঘাত করে বসে।’

সার্বিক বিষয়ে সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছে। কোন ঘটনার বিচার করতে একটি প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক করতে হবে। এ জন্য সময়ের দরকার। পুরো ঘটনা আমাদের জন্য অস্বস্তিকর। আশা করা যায় এর সুষ্ঠু সুরাহা হবে। এব্যাপারে প্রশাসন আন্তরিক।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই ছাত্রী বলেন, তাদের কাছে রাস্তা চাইলে তারা পাশের কাঁচা রাস্তা দিয়ে যেতে বলে এবং অন্যরকম অঙ্গভঙ্গি করে। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে নেশাখোর বলে। আমাকে বার বার থাপ্পড় মারতে আসে। আমার সঙ্গে থাকা বান্ধবী আমাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করে। এ রকম অবস্থা চলতে থাকলে এক পর্যায়ে তাকে থাপ্পড় দেই।

এ জাতীয় আরো খবর..

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়:
x