সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

টুগেদার ফর বাংলাদেশ-এর ছোঁয়ায় প্রথমবারের মতো বৈশাখী সাজ সাজলো বনানী ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৯৩৬

নিউজটি শেয়ার করুন

default

১৩ এপ্রিল ২০২৫ দিবাগত রাতে বনানী ১১ নম্বর রোড যেন পরিণত হয়েছিল এক বিশাল বৈশাখী ক্যানভাসে! রংঢঙের উৎসব ২০২৫-এ পুরো রাস্তাজুড়ে আঁকা হয়েছে রঙিন আলপনা, যা তুলে ধরেছে বাঙালিদের আনন্দ আর ঐতিহ্য।

টুগেদার ফর বাংলাদেশ এবং বনানী সোসাইটি-এর সহযোগিতায় আয়োজনটিকে উৎসবমুখর করেছে হাজারো মানুষ, স্বেচ্ছাসেবক আর একঝাক তরুণ শিল্পীর দল—সারারাত জুড়ে চলেছে আলপনা, গান, আনন্দ আর মিলেমিশে থাকার উৎসব।

বার্জার পেইন্টস ছিল এই ইভেন্টের অফিসিয়াল কালার পার্টনার। তাদের রঙে বনানীর রাস্তা হয়েছে বর্ণিল। প্রায় ৯০০ লিটার রঙ ব্যবহার করে আঁকা হয়েছে দারুণ সব আলপনা, যেগুলোয় ফুটে উঠেছে বাঙালির গল্প আর উৎসবের ছন্দ।

আমাদের সার্বিক সহযোগী ছিল আমানত শাহ লুঙ্গি, যারা ঐতিহ্য আর শিল্পের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে আমাদের উৎসবকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।
রাত থেকে ভোর পর্যন্ত পর্যন্ত রঙঢঙের উৎসব-এ গান, নাচ, আর হাসিমুখে মেতে উঠেছিল সবাই।

এই আয়োজনে এসেছিল ৫,০০০-এর বেশি মানুষ, আর উৎসবের ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে টিভি, পত্রিকা, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়াতে। অনেক ইনফ্লুয়েন্সার আর কনটেন্ট ক্রিয়েটরও অংশ নিয়েছেন এই আনন্দে।

টুগেদার ফর বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা এস এম নাজমুস সাকিব বলেন,
“এটা শুধু বৈশাখী রঙে রাস্তা রাঙানোর অনুষ্ঠান না, বরং এটা মানুষকে একসাথে আনন্দ, শিল্প আর ভালোবাসায় যুক্ত করার একটা চেষ্টার নাম। বার্জার পেইন্টস আর আমানত শাহ লুঙ্গিকে ধন্যবাদ—they believed in our dream and made it happen!”

বনানী সোসাইটি-এর সভাপতি জনাব আবদুল হান্নান তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “আমি টুগেদার ফর বাংলাদেশ-কে চিনি ৫ আগস্টের পর বৈশাখী পার্কে তাদের চমৎকার আর্টওয়ার্কের মাধ্যমে। তাদের আর্টের এই যাত্রা সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে, আর বনানী সোসাইটি-র সবাই খুবই উচ্ছ্বসিত ছিলো যখন তারা এই একই স্পিরিট নিয়ে বনানী ১১-কে বৈশাখী রঙে রাঙাতে আসলো।”

এই উৎসবের সকল আপডেট দেখা যাচ্ছে টুগেদার ফর বাংলাদেশ-এর সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: