মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

মুখে খাওয়ার ট্যাবলেটে মিলবে করোনা থেকে মুক্তি

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৫৫

নিউজটি শেয়ার করুন

শুধু টিকা নয়। এবার মুখে খাওয়ার ট্যাবলেটেই মিলবে মহামারী করোনা থেকে মুক্তি। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য সরকার মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেটটি অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশেও এই ট্যাবলেটটির জরুরি অনুমোদন দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গতকাল সোমবার (৮ নভেম্বর) রাতে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক অজিউল্লাহ।

তিনি বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে মলনুপিরাভিরের জরুরি ব্যবহারে অধিদফতর প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী মানুষের আগ্রহের জায়গায় ছিলো কখন আসবে এই মহামারীর টিকা? কবে আসবে এই ভাইরাস থেকে মুক্তির কোন ওষুধ। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ওষুধের ট্রায়ালও দিয়েছে যার বেশির ভাগই ছিলো অকার্যকর। কোনটি কাজে আসেনি। হয়তো সাময়িক মানসিক স্বস্তি মিলেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফাইজার সিনোফার্মার মতো টিকা বাজারে আসে। শুরু হয় বিশ্বব্যাপী টিকা দেওয়ার প্রতিযোগিতা।

জানা গেছে, দেশের নামিদামি সব ওষুধ কোম্পানি মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি চেয়েছে। যারমধ্যে রয়েছে, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। দেশে মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি চেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি মের্ক মলনুপিরাভির নামে এই পিল বা মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরি করেছে। এই ওষুধ করোনাভাইরাসের বংশবিস্তার অকার্যকর করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে প্রস্তুতকারী কোম্পানি। পাশাপাশি, করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সক্ষমতা মলনুপিরাভিরের রয়েছে বলেও বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা।

পিল প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, মলনুপিরাভির মানবদেহে প্রবেশকারী করোনাভাইরাসের জেনেটিক কোডে সমস্যা সৃষ্টি করে ভাইরাসটির বংশবৃদ্ধি প্রায় স্থবির করে দেবে। আর এর ফলেই কমতে থাকবে করোনারোগীর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও এ রোগে মারা যাওয়ার ঝুঁকি।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: