বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন

সুগন্ধায় লঞ্চে আগুন: পালায় স্টাফরা, ভাসতে থাকে জ্বলন্ত লঞ্চ

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২০

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে আগুন লাগার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে এক পাড়ে পৌঁছায় বরগুনাগামী লঞ্চ এমভি অভিযান-১০। তবে এটি নোঙর না করে দ্রুত লঞ্চ থেকে নেমে পালিয়ে যান চালক ও সব স্টাফ। নোঙর না করায় জ্বলতে থাকা লঞ্চটি স্রোতের টানে আবার ভাসতে থাকে। এভাবে প্রায় ৪৫ মিনিট ভেসে লঞ্চটি অন্য পাড়ে গিয়ে থামে। এরমধ্যে ঘটে যায় যা ঘটার। পুড়ে ছাঁই যায় অনেক দেহ।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এর আগে সকালে লঞ্চটির অন্যতম মালিক হামজালাল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘হামজালাল রাত ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পান। ঘটনার ১০-১৫ মিনিট পর চালক ও অন্যরা দ্রুত লঞ্চটিকে একটি পাড়ে নিয়ে যান। সব স্টাফ নেমে পালিয়ে যান। তারা নেমে যাওয়ার সময় কিছু যাত্রীও নেমে যান।

‘লঞ্চটির ইঞ্জিন পরিবর্তন করেছিলেন একজন সাধারণ মিস্ত্রি। যথাযথ নিয়ম মেনে এটি পরিবর্তন করা হয়নি। এছাড়া কোন ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়নি। লঞ্চে কর্মরত তিনজন (মাষ্টার এবং ড্রাইভার) কর্মচারীর নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন ছিল না।’

আগুন লাগা লঞ্চটিতে যাত্রীদের জন্য কোনো লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র তার কর্মচারীদের জন্য ২২টি লাইফ জ্যাকেট ছিল। যাত্রীদের জন্য ১২৭টি বয়া ছিল বলে গ্রেপ্তার মালিক জানিয়েছেন; তবে অধিকাংশ বয়াই যথাস্থানে ছিল না। এছাড়া লঞ্চটির কোন ইনসুরেন্স করা ছিল না বলে গ্রেপ্তার হামজালাল শেখ জানিয়েছেন।’

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: