বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

পঞ্চগড় কোর্টে নিষেধাজ্ঞা অমান্য

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৪১

নিউজটি শেয়ার করুন

Exif_JPEG_420

পঞ্চগড় তেতুলিয়ায় উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের কাজীগজ গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ভুমিহীন দিনমুজুর মো, আব্দুল মতিনের সম্পত্তির ২১ শতাংশ খাস কৃষি জমিতে রোপন করা ১ হাজার চায়ের চারা প্রতি চা চারার দাম ১৩ টাকা ৩০টি সুপারী চারা গাছ দাম ৩ শত টাকা ধরে মুল্যেবান চারা গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ করেছে কাজীগছ গ্রামের দিনমুজুর একনভুমিহীন পরিবার তার আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি জবরদখলে গমচাষ করেছেন জানান,অভিযোগের সুত্রেজানা যায়, গত ১৪/১২/৯১ ইং সালে জমি পত্তন কেস নং ৭২৭/৯০-৯১ আব্দুল মতিন পিতা মৃত রওশন আলী,সাং কাজীগছ স্ত্রী মমতাজ বেগম যৌথ মালিক লৌহাকাচি মৌজার খাতিয়ান নং ৪২০ থেকে আগত ১ নং খতিয়ান যাহার ,দাগ নং ২৪৪৮ – ২১-দাগ ২৪৪৬-২৪-দাগ দাগ২৪৭৩-২০ এর মালিক দাতা জেলা প্রশাসক বন্দোবস্ত মুলে প্রাপ্ত হইয়া ২১ শতাংশ জমিতে মূল্যেবান চা ও সুপারী চারা রোপন করেন।

গত শুক্রবার ১৬ ডিসেম্বর রাতে পূর্ব শুত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ অভিযুক্ত সম্পর্কে ভাই, মো, আব্দুল কাদের কারী(৭০) শামসুদ্দিন(৪০)মোহাজ্জল( ৩৮) মিজান রিয়াজুল( ৩০) তোফাজ্জল(২৮) মোজাহারুল( ৩৫) কাজীগছ মাঝিপাড়া, কোর্টে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও জমিতে প্রবেশ করে এবং জমিতে রোপন করা বাগানের সুপারি ও চা চারা অবৈধ ভাবে গাছ কর্তন করেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত মো,আব্দুল কাদের যোগাযোগ করলে জানান এ অভিযোগ মিথ্যা তিনি বাড়িতে ছিলেন না।

এবিষয়ে পঞ্চগড় কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন গত ২৩ মার্চ ১৪৪/১৪৫ ধারামতে ফৌজদারি বিজ্ঞ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বলে জানান, বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বর্তমান বিজ্ঞ আদালতে চলাকালে বিরোধীয় সম্পক্তিতে সার্বিক আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞ বিচারক অফিসার ইনচার্জ তেতুলিয়া মডেল থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

স্থনীয় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যে কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চায়ের চা ও সুপারী গাছের চারা রাতে কর্তন করে জমি জবরদখল গম চাষ করেছেন অভিযোগে এ প্রতিবেদকে জানান, ভুমিহীন আব্দুল মতিন বলেন,এই জমি সরকার পত্তন সুত্রে আমাকে বন্দবস্ত করে লিখে দিয়েছে। ভোগ দখলে রয়েছে। আমি সুপারী ও চা বাগান রোপন করি। কিন্তু হঠাৎ করে উল্লেখিত বিবাদিরা অবৈধভাবে আমার জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে আমার অনেক টাকার ক্ষতি সাধন করে। গাছ কাটার কারণ জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং খুনজখমের ভয়ভীতি দেখায়।

এব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু সায়েম মিঞা বলেন,অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: