সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার এই সময়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্মার্টফোন কোম্পানি অপো আবারও এক মাস্টারপিস নিয়ে এসেছে। অপোর উন্মোচিত নতুন রেনো১২ সিরিজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী
৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, ৪৪ ওয়াটের ফ্ল্যাশ চার্জার, ৮ জিবি র্যাম সাথে ২৫৬ জিবি রম, এবং ৪৮ মাসের স্মুথ পারফরম্যান্স নিয়ে দুরন্ত তারুণ্যের দুর্দান্ত সঙ্গী হলো ভিভো ওয়াই২৮। ওয়াই ও
কেমন হতে পারে শক্তিশালী ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি চালিত স্মার্টফোনের অনন্য স্বাধীনতার অভিজ্ঞতা! হরহামেশা চার্জার নিয়ে টানাটানির দরকার নেই, নেই বৈদ্যুতিক আউটলেটের লাগাতার সন্ধান। দিনভর দুনির্বার গতি ও চাহিদার সঙ্গে তাল
শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অপো বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এর ২০২৩ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। চতুর্থ বার্ষিক প্রতিবেদনে টেকসই উদ্যোগের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতি এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়েছে। “মানবজাতির জন্য প্রযুক্তি,
শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে নিয়ে এলো বহুল প্রত্যাশিত স্মার্টফোন রেডমি ১৩, যা মূলত ডিজাইন করা হয়েছে তরুণ, ট্রেন্ডি এবং বিশ্বের দরবারে নিজেদেরকে মেলে ধরতে চান এমন ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে। এর উদ্ভাবনী
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশজুড়ে বইছে আনন্দের সুবাতাস। উৎসবের এই আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো নিয়ে এসেছে দারুণ সব উপহার। নতুন অপো ফোনের মোড়ক খুললেই গ্রাহকদের
দেশের শীর্ষস্থানীয় নিত্য-ব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি) উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) পরিবেশগত সঙ্কট মোকাবিলায় ‘অ্যাওয়্যারওয়েভ’ শীর্ষক একটি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘প্রয়াস’ এর আওতায়
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। ‘ঈদ বোনানজা’ নামের এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল,
তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে ভিভো নিয়ে এসেছে ওয়াই সিরিজের নতুন স্মার্টফোন ভিভো ওয়াই১৮। ৯০ হার্জ হাই ব্রাইটনেস ডিসপ্লে, ৬ জিবি র্যামের সাথে ১২৮ জিবি স্টোরেজ, ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ক্লিয়ার
‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল ‘টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার’। এই