বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৬৮

নিউজটি শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া এলজিইডি’র এসি অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান ২৫ বছরের চাকুরী জীবনে গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ। নিজ নামে ও পরিবারের বিভিন্ন জনের নামে ব্যাংকে গচ্ছিত রেখেছেন অঢেল নগদ অর্থ। যদিও তিনি চাকুরী করেন ৫৪ হাজার টাকা স্কেল বেতনে। কুষ্টিয়া শহরের মজমপুরে গড়ে তুলেছেন ৪তলা আলীশান বাড়ী, কুষ্টিয়া ছয় রাস্তার মোড়ে ফয়সাল টাওয়ারে রয়েছে দুইটা ফ্লাট, ঢাকার মিরপুরে রয়েছে ৩কাঠার একটি প্লট। যদিও কুষ্টিয়া মজমপুরের রয়েছে .০৩৩০ একর সম্পতি তার দুই মেয়ের নামে হস্তান্তর করেছেন।

এছাড়াও নামে বেনামে রয়েছে তার একাধিক সম্পত্তি। যা অনুসন্ধান করলেই বেরিয়ে আসবে। ৫৪ হাজার টাকা স্কেলের বেতনে ২৫ বছরের চাকুরীতে কুষ্টিয়া এলজিইডি’র এসি অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের অঢেল সম্পত্তির অর্জনের বিষয়টি জনসাধারণের কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছে। আবার অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন কোটি সম্পদ অর্জনের পন্থা নিয়ে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও ঠিকাদারদের জিম্মি করে বিল আটকিয়ে উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়েছেন এই অঢেল সম্পদ। এই সকল অনিয়মের কারনে তাকে কুষ্টিয়া থেকে পাবনাতে স্ট্যান্ড রিলিজও করা হয়েছিলো ইতিপূর্বে। কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতাবলে পূণ:রায় ফিরে আসেন কুষ্টিয়া জেলা এলজিইডি অফিস কার্যালয়ে। এই নির্বাহী প্রকৌশলীর বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায়। যার ফলে নিজ জেলায় তার কর্মস্থল হওয়া সরকারী চাকরি বিধি স্পষ্ট লঙ্ঘন করে চলেছেন তিনি।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জমান বলেন, ফাইল আটকিয়ে ঠিকাদারদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। কারন আমি ছাড়াও এখানে উর্ধতন কর্মকর্তা থাকে। এছাড়াও তিনি নিজ জেলার চাকুরীর বিষয়ে বলেন, আঞ্চলিক অফিস হওয়ার কারনে নিজ জেলায় চাকুরীতে সরকারী চাকুরীবিধি লঙ্ঘন হয় না। সচেতন মহলের দাবী, কুষ্টিয়া এলজিইডি’র এসি অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের অঢেল সম্পদ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করবে দুদক।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: