রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

রেমিট্যান্সের অর্থ এসএমইতে বিনিয়োগে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নতুন সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ অগাস্ট, ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন

নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসনের মাধ্যমে অর্জিত রেমিট্যান্স শুধু অভিবাসী ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে নয়, দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বন্দ।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্সের একটি অংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এসএমই খাতে বিনিয়োগ করা হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির পথ তৈরি হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকার এফডিসিতে আন্তর্জাতিক পারিবারিক রেমিট্যান্স দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি ও আইওএম বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

ড. লরা টম্ বন্দ বলেন, অভিবাসন নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল হলে এর সুফল শুধু একজন অভিবাসীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সুফল পরিবার, সমাজ এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নেও ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি রেমিট্যান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের কঠোর পরিশ্রম, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে আরও মানসম্মত করতে এবং বিদেশে কর্মরত অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইওএম সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। স্বাগত বক্তব্য দেন আইওএম বাংলাদেশের অভিবাসননীতি ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. ঈশিতা শ্রুতি।

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতেও রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকলে দেশের দারিদ্র্যের হার আরও বাড়ত। রেমিট্যান্সের কারণে অনেক অভিবাসী পরিবার আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদাও অর্জন করছে।

তবে রেমিট্যান্সের অর্থ শুধু দৈনন্দিন ভোগে ব্যয় না করে ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত খাতে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বিশেষ করে এসএমই খাতে বিনিয়োগ করলে অভিবাসী পরিবারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে ‘এসএমই খাতে রেমিট্যান্সের বিনিয়োগ অভিবাসী পরিবারের সুরক্ষায় সর্বোত্তম কৌশল’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

এ জাতীয় আরো খবর..
Classic Software Technology

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আজকের অর্থনীতি ২০১৯।

কারিগরি সহযোগিতায়: